Kashmir

রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর নিয়ে খোঁচা তুরস্কের, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ‘নাক না গলানোর’ হুঁশিয়ারি ভারতের

কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০, ০৮:৫৬

options
link
রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর নিয়ে খোঁচা তুরস্কের, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ‘নাক না গলানোর’ হুঁশিয়ারি ভারতের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতকে উসকানি দিয়ে এবার রাষ্ট্রসংঘে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপন করল তুরস্ক। পালটা দিয়ে ভারতও সাফ জানিয়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কারও নাক গলানো মেনে নেওয়া হবে না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ঠান্ডা, গরম কোনও লড়াই চাই না’, রাষ্ট্রসংঘে ভারতকে পরোক্ষে বার্তা জিনপিংয়ের]

আন্তর্জাতিক মঞ্চে একঘরে হয়ে গেলেও বরাবরই কাশ্মীর (Kashmir) ইস্যুতে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেসেপ তায়েপ এরদোগান। তাঁর এহেন পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হচ্ছে ইসলামিক দুনিয়ায় সৌদি আরবের জায়গা দখল করা। মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় বক্তব্য রাখেন এরদোগান। আগেই থেকেই রেকর্ড করা এক বার্তায় তিনি বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির জন্য কাশ্মীর ইস্যু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত এই জ্বলন্ত সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত। আলোচনার মাধ্যমে কাশ্মীরি জনগণের মত নিয়ে ও রাষ্ট্রসংঘের তৈরি নীতিগত পরিকাঠামোর মধ্যে থেকেই এই সমস্যার সমাধান হয় উচিত।”

Advertisement

এদিকে, তুরস্কের (Turkey) এহেন বয়নে রীতিমতো উষ্মা প্রকাশ করেছে ভারত। নয়াদিল্লি সাফ জানিয়েছে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে বয়ান দিয়ে তুরস্ক দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাচ্ছে। এমনটা মেনে নেওয়া হবে না। রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টি এস তিরুমূর্তি টুইট করে বলেন, “অন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান জানতে শিখুক তুরস্ক। অন্যদের বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করে আঙ্কারার উচিত তাদের নিজেদের নীতির বিষয়ে খতিয়ে দেখা। জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মন্তব্য কাম্য নয়। এটা দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের সমান।”

Advertisement

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রসংঘে বারবার কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে ধরেছে পাকিস্তান। তবে কোনওকালেই হালে পানি পায়নি ইসলামাবাদ। চিন ছাড়া আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স ও অন্য দেশগুলি কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের পাশেই দাঁড়িয়েছে, এমনকি জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা রদ করার পরও পাকিস্তানের অভিযোগে কান দেয়নি বিশ্বের তাবড় দেশগুলি। ইসলামিক দুনিয়ায়ও কাশ্মীর ইস্যুতে সমর্থন পায়নি ইমরান খানের সরকার।

[আরও পড়ুন: সফল চিনের উইঘুর মুসলিমদের নির্মূল করার ছক! বন্ধ্যাত্বকরণের ফলে কমছে জন্মহার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.