Donlad Trump

‘বৈঠক ব্যর্থ হলে দায় ভ্যান্সের, সাফল্যের কৃতিত্ব আমার’, ডেপুটির ঘাড়ে দায়িত্ব দিয়ে অকপট ট্রাম্প

বৈঠকের আগে ট্রাম্প হাসির ছলে এই কথা বললেও, বিষয়টিকে মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভ্যান্সের কাছে এটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অ্যাসাইনমেন্ট।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ০২:২১

options
link
‘বৈঠক ব্যর্থ হলে দায় ভ্যান্সের, সাফল্যের কৃতিত্ব আমার’, ডেপুটির ঘাড়ে দায়িত্ব দিয়ে অকপট ট্রাম্প
প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

পশ্চিম এশিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে ইসলামাবাদে। ইরানের সঙ্গে এই শান্তি বৈঠক সফল করতে ডেপু্টি জেডি ভ্যান্সকে পাকিস্তানে পাঠিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই আবহেই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য শোনা গেল ট্রাম্পের গলায়। জানালেন, বৈঠক ব্যর্থ হলে দায় ভ্যান্সের, সাফল্যের কৃতিত্ব আমার।

Advertisement

‘ইস্টার ডে’ উপলক্ষে হোয়াইট হাউসের লাঞ্চের আয়োজন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে সাংবাদিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও, যুদ্ধমন্ত্রকের সচিব পিট হেগসেথ-সহ শীর্ষ আধিকারিকরা। এখানেই পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা প্রসঙ্গে কিছুটা হালকা মেজাজে দেখা যায় ট্রাম্পকে। তিনি বলেন, “যদি বৈঠক সফল না হয় তবে জেডি ভ্যান্সকে দোষ দেব আমি।” এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, “যদি কোনওভাবে এই বৈঠক সফল হয় তবে এর ১০০ ভাগ কৃতিত্ব আমি নেব।” ট্রাম্পের এহেন মন্তব্য শুনে হাসিতে ফেটে পড়েন সেখানে উপস্থিত সকলেই।

Advertisement

ট্রাম্প জানালেন, ‘বৈঠক ব্যর্থ হলে দায় ভ্যান্সের, সাফল্যের কৃতিত্ব আমার।’

উল্লেখ্য, দু’সপ্তাহের যুদ্ধ বিরতিতে শান্তি বৈঠকে বসেছে ইরান-আমেরিকা। মার্কিন প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ইরানের প্রতিনিধি দলও। মনে করা হচ্ছে, আলোচনায় উঠে আসবে ইরানের পরমাণু প্রকল্প, হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইসলামাবাদে আয়োজিত বৈঠকটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে ইরান। সমঝোতার ক্ষেত্রে তেহরানের সদিচ্ছা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কালিবাফ। তবে আমেরিকাকে তাঁরা একেবারেই বিশ্বাস করেন না। এই কারণেই শান্তি চুক্তির বিষয়ে বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান। এর মধ্যে রয়েছে, লেবাননে ইজরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতির দাবি। এছাড়া পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সেনা মোতায়েন বা সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে পারবে না আমেরিকা।

Advertisement

তবে এই বৈঠকের আগে ট্রাম্প হাসির ছলে এই কথা বললেও, বিষয়টিকে মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভ্যান্সের কাছে এটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অ্যাসাইনমেন্ট। তার আগে বৈঠকের সাফল্য-ব্যর্থতা নিয়ে মন্তব্য করে আসলে ভ্যান্সের উপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়াতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.