রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে সরব ভারত। সেই দাবিকে সমর্থন করে এবার দিল্লির পাশে দাঁড়াল ইউরোপের চার দেশ। পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া এবং চেক প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধিরা জানিয়ে দিলেন, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতের জায়গা পাওয়া উচিত।
আরও পড়ুন:
৮ সেপ্টেম্বর থেকে নিউ ইয়র্কে শুরু হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের ৮১তম সাধারণসভা। সেই অধিবেশনের মাঝেই এই চার দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। এখানেই ভারতের পক্ষে নিজেদের সমর্থন ব্যক্ত করেন চার দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্লোভাকিয়ার বিদেশমন্ত্রী জুরাজ ব্লানার বলেন, “গ্লোবাল সাউথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ তথা ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলের উদীয়মান শক্তি হিসেবে ভারতকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করা উচিত। এই বিষয়ে ভি-৪ দেশগুলি একমত।”
স্লোভাকিয়ার বিদেশমন্ত্রী জুরাজ ব্লানার বলেন, ‘গ্লোবাল সাউথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ তথা ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলের উদীয়মান শক্তি হিসেবে ভারতকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য করা উচিত।’
অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এদিন জয়শংকর বলেন, বর্তমানে বিশ্ব এক বিরাট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিগত কয়েক দশকে বিশ্ব ক্ষমতার ভারসাম্য ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে, যা একটি বহু প্রতীক্ষিত রূপান্তর। তবে তীব্র প্রতিযোগিতা, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং সংঘাত এখন এই পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। এই পরিস্থিতিগুলোর মোকাবিলা করা না হলে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মূল ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই, এই বর্তমান সময়ে বহুপাক্ষিকতাকে তার ভূমিকা জোরালোভাবে পালন করতে হবে।
Delighted to join the Visegrád Group DPM & FM @radeksikorski #Poland DPM & FM @_OrbanAnita #Hungary FM Juraj Blanár #Slovakia and FM @petr_macinka #Czechia on the sidelines of #UNGA81. Our first meeting in the V4+India format agreed to:
✅ Closer political cooperation including… pic.twitter.com/mBqMTkC6QN
— Dr. S. Jaishankar (@DrSJaishankar) September 21, 2026
বিদেশমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা শুধু কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বলেন, বিশ্ব শান্তি, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের ওপর এর সরাসরি প্রভাব রয়েছে। তাঁর কথায়, বিশ্ব শান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, জলবায়ু কার্যক্রম, উদীয়মান প্রযুক্তি, উন্নয়নের জন্য অর্থায়ন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ মহামারীর জন্য প্রস্তুতির মতো বিষয়গুলোর সমাধানে দেশগুলির একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় এখনও পর্যন্ত যেটুকু সাফল্য মিলেছে তা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে। ফলে আমাদের অর্জিত ভালো বিষয়গুলিকে রক্ষা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নত ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জিমন্যাস্টিক্সে ফাইনালে প্রণতি নায়েক, অব্যবস্থার শিকার, একার লড়াইয়েও চমক বঙ্গকন্যার
-
সাংসদ যেন কৃষক! নিজের বাড়িতে করম পুজোয় মাতলেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো
-
‘বন্ধুত্বে’র প্রতিদান! মুকুন্দপুরে মমতাপন্থীদের ‘আক্রান্ত’ হওয়ার প্রতিবাদ কংগ্রেসের, সুগম জোটের পথ?
-
চৈতন্য ও সুলক্ষণা, ২ হস্তিশাবকের নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন এই নাম? জানালেন নিজেই
-
এবিভিপি-টিএমসিপি সংঘর্ষের জের! ১ মাস বন্ধ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল! বেরিয়ে গেলেন ছাত্ররা