Australia

‘খুনি নই, কিন্তু বউকে আমিই মেরেছি’, অস্ট্রেলিয়ার আদালতে আশ্চর্য দাবি ভারতীয় বংশোদ্ভূতের

এদিন অ্যাডিলেডে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হয় বিক্রান্তকে। অস্ট্রেলীয় সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা এপ্রিলে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৫:৩৭

options
link
‘খুনি নই, কিন্তু বউকে আমিই মেরেছি’, অস্ট্রেলিয়ার আদালতে আশ্চর্য দাবি ভারতীয় বংশোদ্ভূতের
প্রতীকী ছবি।

বিক্রান্ত ঠাকুর নামের এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবককে অস্ট্রেলিয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে। ৪২ বছরের ওই ভারতীয় অ্যাডিলেডে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দাবি করেছেন, তিনি তাঁর স্ত্রীকে মেরেছেন একথা সত্যি। কিন্তু তিনি খুনি নন!

Advertisement

ঠিক কী হয়েছিল? গত ২১ ডিসেম্বর রাত সাড়ে আটটা নাগাদ পুলিশের কাছে একটি এমার্জেন্সি কল আসে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তদন্তকারীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায় অচেতন হয়ে পড়ে আছেন সুপ্রিয়া ঠাকুর নাম্নী এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্বামী। অনেক চেষ্টা করেও সুপ্রিয়ার জ্ঞান ফেরানো যায়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বিক্রান্তকে।

Advertisement

অভিযুক্তের দাবি, স্ত্রীকে তিনিই মেরে ফেলেছেন। কিন্তু তিনি খুনি নন। মনে করা হচ্ছে, বিক্রান্ত বলতে চাইছেন, সুপ্রিয়ার মৃত্যু হয়েছে অনিচ্ছাকৃত ভাবে। তিনি খুন করতে চাননি।

২২ ডিসেম্বরই তাঁকে আদালতে তোলা হলেও ১৬ সপ্তাহের জন্য শুনানি মুলতুবি করা হয়। বলা হয়, তদন্তকারীরা আরও প্রমাণ জড়ো করার জন্য সময় চাইছেন। যার মধ্যে ডিএনএ বিশ্লেষণ থেকে ময়নাতদন্তের বিস্তারিত রিপোর্টও রয়েছে। সেই হিসেবে অস্ট্রেলীয় সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা এপ্রিলে। তার আগে এদিন অ্যাডিলেডে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানো হয় বিক্রান্তকে। সেখানেই তিনি দাবি করেন, তাঁর স্ত্রীকে তিনিই মেরে ফেলেছেন। কিন্তু তিনি খুনি নন। মনে করা হচ্ছে, বিক্রান্ত বলতে চাইছেন, সুপ্রিয়ার মৃত্যু হয়েছে অনিচ্ছাকৃত ভাবে। তিনি খুন করতে চাননি।

Advertisement

সুপ্রিয়া ঠাকুরের ‘গো ফান্ড মি’ পেজ তাঁর সম্পর্কে লেখা হয়েছে ৩৬ বছর বয়সি সুপ্রিয়া একজন কর্মপ্রাণ নার্স হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। সুপ্রিয়ার বন্ধু এবং সম্প্রদায়ের সদস্যদের দ্বারা বেনামে তৈরি করা ওই পেজটিতে লেখা আছে, “তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুতে তাঁর ছেলে মাতৃহারা হয়েছে। এবং রাতারাতি ছেলেটির জীবন ওলটপালট হয়ে গিয়েছে। যে মানুষটি তাঁকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন, তাঁকে ছাড়া সে এখন এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.