Indian techie killed wife

সিয়া-সোনমই পথপ্রদর্শক? প্রেমিকার ছকে স্ত্রীকে ‘খুন’, মৃতদেহের ছবি পাঠাল মার্কিন মুলুকের ভারতীয়

বিয়ের পরেও প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে যান অবিনাশ। মার্কিন মুলুকে পাড়ি দেওয়ার পরই রাজিথাকে খুনের ছক কষেন। পুরো পরিকল্পনায় তাঁর প্রেমিকাও সঙ্গে ছিলেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ১৬:৪৪

options
link
সিয়া-সোনমই পথপ্রদর্শক? প্রেমিকার ছকে স্ত্রীকে ‘খুন’, মৃতদেহের ছবি পাঠাল মার্কিন মুলুকের ভারতীয়
প্রতীকী ছবি।

প্রথমে শ্বাসরোধ করে স্ত্রীকে খুন। তারপর স্ত্রীর মৃতদেহের ছবি সোজা পাঠিয়ে দিলেন প্রেমিকার কাছে! রীতিমতো নাটকীয় কাণ্ড ঘটিয়েছেন ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, স্ত্রীকে হত্যার পর গ্রেপ্তারি এড়াতে একদম সিনেমার মতো গল্প সাজিয়েছিলেন ওই ভারতীয়। পুলিশ প্রথমে তা বিশ্বাসও করে। প্রায় বছরখানেক গ্রেপ্তার হয়েছেন ওই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী। তারপরেই উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

Advertisement

অভিযুক্তের নাম অবিনাশ নারনে। ৩০ বছর বয়সি অবিনাশ পেশায় সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার। মার্কিন মুলুকে কর্মরত ছিলেন অবিনাশ। গত বছর জুন মাসে তাঁর বিয়ে হয় রাজিথা সাবিনেনির সঙ্গে। কিন্তু সেই বিয়ে থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। মাত্র চার মাসের মাথায় বাড়ির বাথরুম থেকে উদ্ধার হয় রাজিথার মৃতদেহ। সেসময়ে পুলিশের কাছে মিথ্যে বলেন অবিনাশ। জানান, তিনি বাজার করতে বেরিয়েছিলেন। প্রায় ৪০ মিনিট পরে বাড়ি ফেরেন। ফিরে এসে দেখেন, বাথরুমের দরজা বন্ধ। পুলিশ দরজা ভেঙে রাজিথার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে অবিনাশের কথা মেনে নেয় পুলিশ। কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গোটা সময়ে ওই বাড়িতে আর কেউই ঢোকেননি। ময়নাতদন্তে জানা যায়, রাজিথার মৃত্যু মোটেই স্বাভাবিক নয়। শ্বাসরোধ করা হয়েছে তাঁকে। অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু হয়েছে রাজিথার। তারপর থেকেই অবিনাশের উপর সন্দেহ বাড়ে। তাঁকে জেরার পর উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ভারতে থাককালীনই এক মহিলার সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পর্কে ছিলেন অবিনাশ। তা সত্ত্বেও বিয়ে করেন পরিবারের পছন্দ করা পাত্রীকে। অবিনাশের প্রেমিকাও সেই বিয়েতে হাজির ছিলেন।

Advertisement

বিয়ের পরেও প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে যান অবিনাশ। মার্কিন মুলুকে পাড়ি দেওয়ার পরই রাজিথাকে খুনের ছক কষেন। পুরো পরিকল্পনায় তাঁর প্রেমিকাও সঙ্গে ছিলেন। খুনের দিন চারবার কথা হয় তাঁদের। এমনকী খুনের পর রাজিথার মৃতদেহের ছবিও প্রেমিকাকে পাঠিয়েছিলেন অবিনাশ। আপাতত খুনের অভিযোগে জেল হেফাজতে ছিলেন তিনি। এই ঘটনায় অনেকেই সিয়া গোয়েল বা সোনম রঘুবংশীর ছায়া দেখছেন। তাঁরা দু’জনেই প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে হত্যা করেছেন। অবিনাশও সেই একইভাবে খুন করলেন স্ত্রীকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.