বিদেশে মোটা টাকার চাকরির প্রতিশ্রুতি। সেই ‘টোপ’ গিলে পর্তুগালে গিয়ে বিপাকে এক ভারতীয় তরুণী। অভিযোগ, সে দেশে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁকে এক মদের দোকানির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, তরুণীর কাছ থেকে ১১ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, তরুণী নাগপুরের বাসিন্দা। গত মাসে সমাজমাধ্যমে ‘উই মাইগ্রেট’ নামে এক সংস্থার খোঁজ পান তিনি। চাকরির আশায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তরুণী। সূত্রের খবর, সংস্থাটি তাঁকে পর্তুগালে মাসিক দেড় লক্ষ টাকার চাকরির প্রতিশ্রুতি দেয়। তরুণীকে বলা হয়েছিল, তাঁকে ক্যাশিয়ার হিসাবে কাজ করতে হবে। কাজের সময় দৈনিক আট ঘণ্টা। শুধু তাই নয়, ভিসার খরচ এবং অন্যান্য নথিপত্রের নামে তাঁর কাছ থেকে সংস্থাটি ১১ লক্ষ হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, তরুণী পর্তুগালে পৌঁছানোর পরই সেখানকার ‘এজেন্টরা’ তাঁর পাসপোর্ট কেড়ে নেন। এমনকী দু’দিন ধরে তাঁকে একটি ঘরে বন্দি করে রাখা হয় বলেও অভিযোগ। এরপর তরুণীকে এক বিয়ারের দোকানের মালিকের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। অভিযোগ, সেখানে তাঁকে চরম মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হত। প্রায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অত্যাচার সহ্য করার পর তরুণী পালানোর ছক করেন। জানা গিয়েছে, প্রথমে লুকিয়ে বাসে করে লিসবন আসেন তিনি। তারপর সেখান থেকে মাদ্রিদ হয়ে বিমানে দোহা পৌঁছন তিনি। সেখানে থেকে তিনি ফেরেন ভারতে।
সর্বশেষ খবর
-
ঝাড়খণ্ডে করম পুজোর বিসর্জনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! তলিয়ে গেল ৬ শিশু
-
কমিশনারদের ‘মতানৈক্য’ প্রকাশ্যে আসতেই জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবি বিরোধীদের, ‘ভিন্নমত’ মানল কমিশনও
-
চোখের চিকিৎসা সেরে বিদেশ থেকে ফিরেই একাধিক ইস্যুতে বিজেপিকে তোপ অভিষেকের
-
হিন্দু পাত্রের সঙ্গে বাগদান ইদার, মেয়ে জামাইয়ের ছবি শেয়ার করে সুখবর দিলেন ইমতিয়াজ
-
জেলেই ভোট কাটবে নন্দীগ্রামের কং প্রার্থীর, ৭ অক্টোবর পর্যন্ত জেল হেফাজত মিলন প্রধানের