সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত বছরের ৭ অক্টোবর। ইজরায়েলের বুকে বেনজির হামলা চালায় হামাস। গোলাগুলির কান ফাটানো আওয়াজ, বারুদের পোড়া গন্ধে ভারী হয়ে ওঠে গাজা সীমান্তবর্তী ইজরায়েলি শহর সদেরটের বাতাস। তার পর থেকে গত পাঁচ মাস ধরে চলছে হামাস বনাম ইজরায়েল যুদ্ধ। কয়েকদিন আগেও সদেরটে শোনা গিয়েছে গুলির আওয়াজ। কিন্তু তাতেও ভয় নেই পড়ুয়াদের। যুদ্ধের কালো মেঘের গর্জনের মাঝেই সদেরটের স্কুলগুলোতে ফিরছে হাজার হাজার পড়ুয়া।
অতীতে বহুবার গাজা থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সদেরট শহরে রকেট হামলা চালিয়েছে প্যালেস্টাইনের জঙ্গি সংগঠনটি। ৭ অক্টোবরের হামলার অন্যতম নিশানা ছিল ইজরায়েলের এই বড় শহরটি। যার বদলা নিতে গাজায় গত পাঁচ মাস ধরে রক্তক্ষয়ী লড়াই চালাচ্ছে ইজরায়েলি ফৌজ। প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ সদেরট শহর ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তাঁরা ধীরে ধীরে নিজেদের ঘরে ফিরছেন। ভয় কাটিয়ে চেষ্টা করছেন স্বাভাবিক জীবনে ফেরার। তাঁদের পাশে রয়েছে ইজরায়েলি সৈন্যরা। জওয়ানরা আশ্বাস দিয়েছেন, নিরাপত্তার জন্য সমস্তরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। পড়ুয়া চাইলে স্কুলেও ফিরতে পারে।
[আরও পড়ুন: রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে মৃত ৮, অস্ত্র পেলে রোখা যেত মৃত্যু, ক্ষোভ জেলেনস্কির]
এনিয়ে ইজরায়েলের শিক্ষামন্ত্রী ইয়োভ কিশ জানিয়েছেন, “এখনও সেখানে গুলি চলার ভয় রয়েছে। কিন্তু ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মানুষ সদেরট ফিরতে পারেন। আমরা সদেরটের স্কুলগুলোর শিক্ষাব্যবস্থা শুরু করে দিয়েছি।” জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে রবিবার সেখানকার একটি প্রাথমিক স্কুলে ফিরেছে ছাত্রছাত্রীরা। আনন্দের গানের মাধ্যমে তাদের স্বাগত জানানো হয়। আনন্দে মেতে ওঠে সকলে। স্কুলের বাইরে দাঁড়িয়ে টাকা এক অভিভাবক জানান, “খুব ভয় লাগছে। কিন্তু আমাদের শিশুরা খুবই সাহসী ও অনুশীলনশীল। আমাদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। জওয়ানরা রয়েছেন।”
সর্বশেষ খবর
-
‘কাট’ বলার পরও উদ্দাম রোম্যান্স? কঙ্গনার কামড়ে কমেডিয়ান বীরের ঠোঁট কেটে রক্তারক্তি কাণ্ড!
-
‘টাকা ঢুকেছে’, ফোন পেয়েই ব্যাঙ্কে দাদু-দিদা, ফাঁকা বাড়িতে নাবালিকাকে কুপিয়ে খুন!
-
অতীত সোরাবর্দি অ্যাভিনিউ, পার্কসার্কাসের রাস্তায় বসল গোপাল মুখার্জি রোডের নামফলক
-
হরমুজে আবার তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা! ইরান-আমেরিকা সংঘাতে ফের অশান্ত প্রণালী
-
ভারী বৃষ্টিতে সিকিমে ফের ভূমিধস, ভুটান থেকে ঢুকছে জল, বাড়ছে হড়পা বানের আশঙ্কা!