Iran

প্রথমবার সর্বশক্তিতে ইরানের উপর হামলা কুয়েত-বাহরিনের! মহাযুদ্ধের প্রমাদ গুনছে মধ্যপ্রাচ্য

সৌদি আরবের সাহায্যে ইরানের মিসাইল স্টোরেজ ও অন্য সেনাঘাঁটিগুলিতে আক্রমণ শানাতে শুরু করেছে কুয়েত ও বাহরিন। এই হামলায় সৌদি আরব দুই দেশকে ইন্টেলিজেন্স ও ডিফেন্সিব এয়ার কভার দিয়ে সাহায্য করছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৬, ১৯:১৪

options
link
প্রথমবার সর্বশক্তিতে ইরানের উপর হামলা কুয়েত-বাহরিনের! মহাযুদ্ধের প্রমাদ গুনছে মধ্যপ্রাচ্য
ছবি এআই দ্বারা নির্মিত।

লাগাতার মার খাওয়ার পর এবার ইরানকে পালটা মারতে শুরু করল কুয়েত ও বাহরিন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, এই প্রথমবার সর্বশক্তিতে ইরানের উপর হামলা চালাতে শুরু করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি। সৌদি আরবের সাহায্যে ইরানের মিসাইল স্টোরেজ ও অন্য সেনাঘাঁটিগুলিতে আক্রমণ শানাতে শুরু করেছে কুয়েত ও বাহরিন। এই হামলায় সৌদি আরব দুই দেশকে ইন্টেলিজেন্স ও ডিফেন্সিব এয়ার কভার দিয়ে সাহায্য করছে।

Advertisement

আমেরিকার তরফে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করেছে ইরান। এই যুদ্ধে এতদিন আত্মরক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি। ইরানের দিক থেকে ছোড়া মিসাইল ও ড্রোন ধ্বংস করছিল দেশগুলি। তবে অনুমান করা হচ্ছে, জল শোধনাগারে ইরানের হামলার পর ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে কুয়েতের। তারই পরিণতি এই হামলা। তবে কুয়েত ও বাহরিন হামলা চালালেও বাকি দেশগুলি এখনও এই যুদ্ধ থেকে নিজেদের সরিয়ে রেখেছে। যেমন, ওমান, কাতারের মতো দেশ এখনও সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হয়নি। যুদ্ধে ইরানের তরফে জর্ডানে লাগাতার হামলা চালানো হলেও তাদের তরফে কোনও প্রত্যাঘাত এখনও দেখা যায়নি। তবে লাগাতার ইরানের মিসাইল স্টোরেজ ও অন্য সেনাঘাঁটিগুলিতে হামলা চালাচ্ছে কুয়েত ও বাহরিন।

Advertisement

সৌদি আরবের সাহায্যে ইরানের মিসাইল স্টোরেজ ও অন্য সেনাঘাঁটিগুলিতে আক্রমণ শানাতে শুরু করেছে কুয়েত ও বাহরিন।

এদিকে শোনা যাচ্ছিল যুদ্ধের মাঝে ইরানে নতুন করে বড়সড় সামরিক অভিযান করতে চলেছে মার্কিন সেনা। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। ওভাল অফিসে তিনি বলেন, “আমরা এই মুহূর্তে ওদের (ইরান) সঙ্গে কথা বলছি। আমার মনে হয়, জরুরি কারণেই ওরা বিষয়টাকে (আলোচনা) গুরুত্ব দিচ্ছে। তার মানে এই নয় যে আমরা কোনও সমাধানে পৌঁছে গিয়েছি।”

Advertisement

পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে সংবাদমাধ্যম জানতে চায়, কীভাবে ইরান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কথা ভাবছেন তিনি? উত্তরে কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “বেরিয়ে আসার একটা রাস্তা অবশ্যই সামরিক বলপ্রয়োগ, যেটা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। আগামী দিনে আক্রমণের জোর আরও বাড়িয়ে দিয়ে ওদের ধ্বংস করে দিতে পারি।” এইসঙ্গে যোগ করেন, “আর অন্য রাস্তাটাও খোলা। সমঝোতার মাধ্যমে বুদ্ধিমানের মতো যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.