UAE

লেবাননের পর এবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ‌বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই আজমান মার্কেট

সোশ্যাল মিডিয়ায় দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা মার্কেটের ভিডিও ভাইরাল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২০, ২২:৫৭

options
link
লেবাননের পর এবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, ‌বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই আজমান মার্কেট

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ মঙ্গলবার ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল লেবাননের রাজধানী বেইরুট। প্রাণ গিয়েছে শতাধিকের। আহত কয়েক হাজার। এই পরিস্থিতিতে এবার বিধ্বংসী আগুনের সাক্ষী থাকল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (United Arab Emirates)। বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যে সাড়ে ৬ টা নাগাদ আগুন লাগে আজমান মার্কেটে (Ajman Market)। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভূমিপুজোয় শামিল মার্কিন মুলুকও, নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়্যারে ভেসে উঠল রাম মন্দিরের ছবি]

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খলিজ টাইমস সূত্রে খবর, আগুন লাগে আজমান মার্কেটে ফল এবং সবজির বাজারে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন। ধীরে ধীরে তা গ্রাস করে ফেলেছে গোটা এলাকা। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ভাইরাল সেই ফুটেজ। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গোটা মার্কেট চত্বরটাই চলে গিয়েছে আগুনের গ্রাসে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিশাল দমকল বাহিনী। আগুন নেভানোর প্রচেষ্টা চলছে। কেউ আটকে রয়েছেন বা মারা গিয়েছেন কি না তা এখনও জানা যায়নি।

Advertisement

 

Advertisement

এদিকে, বেইরুট বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণে বিপর্যস্থ লেবানন। ধামাকার জেরে ঘটা অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির পাশাপাশি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বন্দরের গোদামগুলিতে মজুত রাখা হাজার হাজার টন খাদ্যশস্য। পরিস্থিতি যে কতটা খারাপ তা স্পষ্ট করে দেশটির অর্থমন্ত্রী রাউল নেহমে জানিয়েছেন, মাত্র এক মাসের মতো শস্য রয়েছে সরকারের হাতে। বুধবার সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে লেবাননের অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের জনগণের খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গেলে অন্তত তিন মাসের শস্য মজুত রাখা হয়। কিন্তু বিস্ফোরণের জেরে বন্দরের গোদামগুলিতে মজুত থাকা শস্যভাণ্ডার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কোনওমতে মাসখানেক চালানোর মতো খাবার রয়েছে সরকারে হাতে।

লেবাননের ত্রিপোলি (লিবিয়ার রাজধানী নয়) বন্দরের ডিরেক্টর আহমেদ তামের জানিয়েছেন, বেইরুট বন্দরের গোদামগুলিতে ১ লক্ষ ২০ হাজার টন খাদ্যশস্য মজুত রক্ষার ক্ষমতা রয়েছে। বিস্ফোরণের সময় বন্দরে প্রায় ১৫ হাজার টন গম মজুত ছিল যা পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। স্বস্তির বিষয় অনেক ব্যবসায়ী আগেই মাল খালাস করে নেওয়ায় মাস খানেকের মতো বাজারে আটার জোগান রয়েছে। এছাড়া, প্রায় ২৮ হাজার টন গম নিয়ে বন্দরে আসছে চারটি জাহাজ।

[আরও পড়ুন: বেইরুট বিস্ফোরণে কোনও হাত নেই, জল্পনা উড়িয়ে জানাল ইজরায়েল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.