সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কার্গিল যুদ্ধ বেঁধেছিল পাকিস্তানের জন্যই! এ কথা কার্যত ‘মেনে নিলেন’ পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তাঁর স্বীকারোক্তি, ১৯৯৯-এর লাহোর চুক্তি ভেঙেছিল পাকিস্তানই। তবে এর দায় তৎকালীন পাক সেনাপ্রধান পারভেজ মুশারফের ঘাড়ে চাপিয়েছেন তিনি।
১৯৯৮ সালে ২৮ মে পর পর পাঁচটি পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল পাকিস্তান। এর পরই ১৯৯৯ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে গিয়ে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী পাকিস্তানের সঙ্গে একটি ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর করেন। যার মূল বিষয় দুদেশের মধ্যে শান্তি বজায় রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দুদেশের মানুষের মধ্য়ে যোগাযোগ বৃদ্ধির মতো একাধিক বিষয়। কিন্তু বাস্তবে এই একটি বিষয়ও মানেনি ইসলামাবাদ। সন্ধির কয়েক মাস পর থেকেই লাদাখের কার্গিলে অনুপ্রবেশ শুরু করে জেহাদিরা। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর দুদেশের মধ্যে যুদ্ধ বেঁধে যায়। শেষমেশ আত্মসমর্পণ করে ইসলামাবাদ। বিষয়টি নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
[আরও পড়ুন: রাসেলকে ‘লুট পুট গ্যায়া’ শেখালেন অনন্যা! ভাইরাল ভিডিও]
এদিন দলীয় বৈঠকে নওয়াজ বলেন, “১৯৯৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমরা পাঁচটি পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা করেছিলাম। এর পর বাজপেয়ীজি আমাদের এখানে এসে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।” তাঁর বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি, “আমরা চুক্তি লঙ্ঘন করেছি। এটা আমাদের দোষ ছিল।” যদিও অনুপ্রবেশের দায় তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল পারভেজ মুশারফের উপর চাপিয়েছেন। তাঁর নির্দেশেই ভারতের মাটিতে অনুপ্রবেশ হয়েছিল বলে দাবি নওয়াজের।পাক প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য আপাতত সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল।
[আরও পড়ুন: রাখি সাওয়ান্তের HIV! খবর পেয়ে হাসপাতালেই ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী]
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের