সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কল্পবিজ্ঞানের গল্পে আমরা প্রায়ই পড়েছি সেই পৃথিবীর কথা, যেখানে মানুষের সব কাজ করে ফেলছে রোবট। সত্যিই যেভাবে মানুষে এগিয়ে চলেছে, নিত্যদিন আবিষ্কার করে চলেছে নতুন নতুন গ্যাজেট, গল্পের সেইদিন বাস্তবে পরিণত হতে বোধহয় আর বেশি দেরি নেই। এই যেমন ধরুন রেস্তরাঁয় মানুষের বদলে আপনাকে খাবার সার্ভ করবে একটি রোবট। কি অবাক হলেন তো! বাস্তবে কিন্তু ইতিমধ্যেই ঘটে গেছে এমন ঘটনা। না চিন বা জাপানে নয়, ওয়েটার হিসাবে রোবটকে কাজে লাগিয়েছে পাকিস্তানের এক রেস্তরাঁ। আর এই রোবটের টানেই বাড়ছে এই রেস্তরাঁর ভিড়।
[জানেন, নববধূকে কী উপহার দিল ‘জিহাদি’ স্বামী?]
পাকিস্তানের মুলতানে একটি পিজ্জা রেস্তরাঁয় ওয়েটার হিসাবে রাখা হয়েছে দুটি রোবটকে। চিনের এক রোবটিক রেস্তরাঁর কথা শুনেছিল ২৩ বছরের ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র উসামা আজিজ। সেমিস্টারে এইধরনের রোবট বানিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই প্রথম এই আইডিয়ার সূত্রপাত। তারপর ধীরে ধীরে সে তৈরি করে ফেলে দু’টি রোবট। প্রথমের দিকে এই দুই রোবটকে নিয়ে বেজায় সমস্যায় পড়েছিলেন এই পিজ্জা রেস্তরাঁর মালিকরা। পাঁচ কেজির বেশি ভার বইতে পারছিল না এই দুই রোবট, এমনকী সঠিক টেবিলও বেছে নিতে পারছিল না। পরবর্তীকালে অবশ্য এইসব সমস্যাকে কাটিয়ে উঠেছেন রোবটদের আবিষ্কর্তা।
[প্রেম কোনও বয়স মানে না, বৃদ্ধাকে বিয়ে করে প্রমাণ করল এই কিশোর]
পাকিস্তানে এই প্রথম কমারশিয়াল ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার করা হল। মেটালের কাঠামোয় তৈরি এই রোবটের বাইরে অংশ ফাইবার গ্লাসের। ইলেকট্রনিক ও মডিউল সবই মুলতানের স্থানীয় বাজার থেকেই কেনা হয়েছে। রোবট দিয়েই বাজিমাত করে ফেলেছে এই পিজ্জারিয়া। শুধু পিজ্জা চেখে দেখতেই নয় রোবটের সঙ্গে সেলফি ক্লিক করতেও সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন আট থেকে আশি। তবে এই রোবটগুলিকে আরও উন্নত করার কথা ভাবছেন রেস্তরাঁর কর্ণধার। শুধু খাবার টেবিলে পৌঁছে দেওয়াতেই আটকে না থেকে রোবটগুলিকে দিয়ে আরও নানা কাজ করানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।
সর্বশেষ খবর
-
রেড কার্পেটে ধুন্ধুমার! সেলফির অজুহাতে নিকিতাকে ঠোঁটঠাসা চুম্বন মহিলা ভক্তের, ভাইরাল ভিডিও
-
স্বস্তি ভারতীয় শিবিরে, অনুশীলনে ফিরলেন গিল, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে খেলবেন?
-
প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, ‘নেশাগ্রস্ত’ পাইলটেই বিপর্যয়! এয়ার ইন্ডিয়া দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
-
রাজ্যজুড়ে অভয়া দিবস পালন, স্বরচিত কবিতা পাঠ অগ্নিমিত্রার
-
তিন শর্ত মানলেই সমর্থন! বার্তা কেন্দ্রকে, ডিলিমিটেশন নিয়ে ডিএমকের দোনামনা অব্যাহত