Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Jhargram

ঝাড়গ্রামে হরিণের রহস্যমৃত্যু! চোরাশিকারিদের থাবা? তদন্তে বনদপ্তর

খড়্গপুর ডিভিশনের ডিএফও মনীষ যাদব বলেন, "নয়াগ্রাম রেঞ্জ এলাকায় একটি হরিণের মৃত্যু হয়েছে। তবে কী কারণে হরিণটির মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর স্পষ্ট হবে।"

সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৯:১৯

link
সুনীপা চক্রবর্তী
সুনীপা চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
ঝাড়গ্রামে হরিণের রহস্যমৃত্যু! চোরাশিকারিদের থাবা? তদন্তে বনদপ্তর zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

বুধবার সকালে খড়িকামাথানী স্টেডিয়ামের পিছন থেকে একটি মৃত চিতল হরিণ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল নয়াগ্রামে। কী কারণে হরিণটির মৃত্যু হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে বন দপ্তর। স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে স্টেডিয়ামের পিছনে হরিণটিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন বাসিন্দারা। এরপরই খবর দেওয়া হয় নয়াগ্রাম রেঞ্জ অফিসে। খবর পেয়ে বন দপ্তরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে হরিণটির দেহ উদ্ধার করে নয়াগ্রাম রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসেন। হরিণটি অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছে, নাকি অন্য কোনও কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

এই ঘটনায় ফের নয়াগ্রামে ডিয়ার পার্ক করা যায় কি না সেই জল্পনা উসকে দিয়েছে।
উল্লেখ্য, নয়াগ্রাম ব্লক জঙ্গল ঘেরা এলাকা হওয়ায় এখানে চিতল হরিণের সংখ্যা গত কয়েক বছরে বেড়েছে। বন দপ্তরের অনুমান, বর্তমানে বিভিন্ন জঙ্গলে প্রায় দেড়শো থেকে দু’শোর কাছাকাছি হরিণ রয়েছে। তপোবন, চাঁদাবিলা ও কেশররেখার মতো জঙ্গলে প্রায়ই হরিণের দেখা মেলে। কখনও খাবার বা জলের সন্ধানে দলবদ্ধ হরিণকে রাস্তা পার হয়েও এক জঙ্গল থেকে অন্য জঙ্গলে যেতে দেখা যায়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে লোকালয়ের কাছাকাছি হরিণের উপস্থিতি যেমন নজর কাড়ছে, তেমনই তাদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। চোরাশিকারিদের হাতে হরিণ শিকার হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। আবার দলছুট হরিণ লোকালয়ে ঢুকে পড়লে কুকুরের তাড়া বা কামড়েও মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। কয়েক বছর আগে নয়াগ্রামেই হরিণ শিকারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছিল বন দপ্তর। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় হরিণের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে তাদের নিরাপত্তার জন্য একটি ডিয়ার পার্ক তৈরি করা হোক। যদিও বন দপ্তরের বক্তব্য, প্রাকৃতিক পরিবেশেই হরিণের বংশবৃদ্ধি হওয়া ভালো লক্ষণ এবং সেই পরিবেশেই তাদের বিচরণ করা স্বাভাবিক।

খড়্গপুর ডিভিশনের ডিএফও মনীষ যাদব বলেন, “নয়াগ্রাম রেঞ্জ এলাকায় একটি হরিণের মৃত্যু হয়েছে। তবে কী কারণে হরিণটির মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর স্পষ্ট হবে।” তিনি আরও বলেন, “নয়াগ্রাম বনাঞ্চলে হরিণের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। দ্রুত বংশবৃদ্ধি হচ্ছে। বন দপ্তরের তীব্র নজরদারি রয়েছে। কোনও খবর পেলেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।’’ ডিয়ার পার্ক প্রসঙ্গে তিনি জানান, ঝাড়গ্রামে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে জঙ্গলমহল জুলজিক্যাল পার্ক রয়েছে। তাই নয়াগ্রামে নতুন করে ডিয়ার পার্ক তৈরির ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.