টাইগ্রিস

নওরোজে নৌকাডুবি, ইরাকের টাইগ্রিস নদীতে সলিলসমাধি ১০০ জনের    

উৎসবের আনন্দ কেড়ে নিল বিপর্যয়৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০১৯, ১১:১৯

options
link
নওরোজে নৌকাডুবি, ইরাকের টাইগ্রিস নদীতে সলিলসমাধি ১০০ জনের    

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উৎসবের আনন্দ কেড়ে নিল বিপর্যয়৷ ইরাকে পারসি সম্প্রদায়ের নববর্ষ উদযাপনে পড়ল মৃত্যুর ছায়া৷ বৃহস্পতিবার ইরাকের মসুলের কাছে টাইগ্রিস নদীতে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১০০ জন৷ নিহতদের মধ্যে রয়েছে শিশুও৷ যদিও বেসরকারি সূত্রে মৃতের সংখ্যা আরও বেশি বলে জানা গিয়েছে৷ 

Advertisement

[ক্রাইস্টচার্চ হামলাকে অস্ত্র করে জেহাদের বিষ ছড়াচ্ছে ইসলামিক স্টেট]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইরাকের প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার মসুলের কাছে টাইগ্রিস নদীতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি ফেরি ডুবে যায়৷ প্রাণ হারান অন্তত ১০০ জন৷ মৃতদের প্রায় সকলেই পারসি সম্প্রদায়ের মানুষ৷ এদিন ‘নওরোজ’ বা পারসিদের নতুন বছর পালন করতে একটি বিনোদন দ্বীপের উদ্দেশে ২০০ জন যাত্রী নিয়ে রওনা দিয়েছিল ফেরিটি৷ দুর্ঘটনার পর  ১৯ শিশু-সহ অন্তত ৬৭ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে৷ অনেকেই এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ৷ ইরাকের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রকের মুখপাত্র মেজর জেনারেল সাদ মান সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘বৃহস্পতিবারের ঘটনায় অন্তত ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।’’  শোকপ্রকাশ করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদিল আবদুল মাধি। তিনি বলেন, “এই ঘটনা অত্যন্ত দুঃখের৷ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি আমরা। সরকারের তরফে নিখোঁজদের উদ্ধার এবং আহত যাত্রীদের চিকিৎসার সবরকম ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে কার গাফিলতি এমন ঘটনা ঘটল, তা খুঁজে বার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, ২১ মার্চ ছিল পারসিদের নতুন বছর বা নওরোজ৷ ইরাক, ইরান-সহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পারসিরা এই সময় নতুন বছরের আনন্দে মেতে উঠেন। সেই জন্যই এদিন বিনোদন দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন অভিশপ্ত ফেরির যাত্রীরা৷ কিন্তু মাঝনদীতেই ডুবে যায় সেটি৷ ঘটনার পর একাধিক স্টিমার বোটের পাশাপাশি হেলিকপ্টার নামানো হয় উদ্ধারকাজে৷ সাহায্যে এগিয়ে আসেন স্থানীয় মানুষরাও৷ এদিকে, সূত্রে খবর, টাইগ্রিস নদীতে জলস্ফীতি এবং তীব্র স্রোতের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল আগেই। কারণ, মসুলের নদীবাঁধের গেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে সব উপেক্ষা করেই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ওই বিনোদন দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দেয় ফেরিটি। ফেরির বহন ক্ষমতার অন্তত দ্বিগুণ যাত্রী তোলা হয়েছিল। যদিও অনেকেই মনে করছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যই এই ঘটনাটি ঘটেছে।   

[ভারতে ফের হামলা হলে কড়া মূল্য চোকাতে হবে, পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি আমেরিকার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন