Iran

‘মুকুটে’ হামলা হতেই আরও বেপরোয়া ইরান, আমিরশাহির বৃহত্তম তৈলভাণ্ডারে আক্রমণ!

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপকূলবর্তী শহর ফুজাইরাতে অবস্থিত সে দেশের বৃহত্তম তৈলভাণ্ডার। শনিবার খার্গ দ্বীপে হামলার কিছু সময় পরই তেলভাণ্ডারটি থেকে কালো ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানেও একই ছবি দেখা গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ২০:০৪

options
link
‘মুকুটে’ হামলা হতেই আরও বেপরোয়া ইরান, আমিরশাহির বৃহত্তম তৈলভাণ্ডারে আক্রমণ!
আমিরশাহির ফুজাইরার তৈলভাণ্ডার থেকে বেরচ্ছে কালো ধোঁয়া। ছবি: রয়টার্স।

শনিবার ভোরে ইরানের ‘মুকুট’ খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। তার পরই আরও বেপরোয়া হয়ে উঠল তেহরান। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বৃহত্তম তৈলভাণ্ডারে হামলার চেষ্টা করেছে ইরান। একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে তেমনটাই দাবি করা হচ্ছে।

Advertisement

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপকূলবর্তী শহর ফুজাইরাতে অবস্থিত সে দেশের বৃহত্তম তৈলভাণ্ডার। শনিবার খার্গ দ্বীপে হামলার কিছু সময় পরই তেলভাণ্ডারটি থেকে কালো ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, ওই এলাকায় ড্রোন হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল। ড্রোনটি আকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে। সেটির ধ্বংসাবশেষ মাটিতে পড়ার কারণেই কালো ধোঁয়া বের হচ্ছিল। কিন্তু তৈলভাণ্ডারটি লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছিল কি না, তা তাঁরা স্পষ্ট করেননি। আমিরশাহির প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ‘আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একের পর এক ইরানি ব্যালিস্টিক মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল এবং ড্রোন ধ্বংস করছে।’

Advertisement

প্রসঙ্গত, ভারতীয় সময় অনুযায়ী শনিবার ভোরে ইরানের ‘মুকুট’ খার্গ দ্বীপে হামলা চালায় আমেরিকা। একে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম ভয়ংকর বোমাবর্ষণ’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খার্গ দ্বীপের সমস্ত সামরিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দেন, এখনও পর্যন্ত ওই দ্বীপের তেল শোধনাগারে হামলা করা হয়নি। কিন্তু হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল করতে না দিলে সেখানেও অচিরে হামলা করতে পারে ওয়াশিংটন।

Advertisement

উল্লেখ্য, ইরানের উপকূল থেকে ৩৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ। আয়তনে খুব বড় না হলেও এই দ্বীপই ইরানের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানি কেন্দ্র। এখান থেকেই যাবতীয় অপরিশোধিত তেল বিদেশে পাঠায় তেহরান। এখানে বড় আঘাত মানেই যে ইরানের অর্থনীতির ‘বুকে’ হামলা তা বলাই যায়। এবার ট্রাম্পের লক্ষ্যে সেই দ্বীপ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.