Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
যুদ্ধের ঘনঘটা
Russian Oil

‘রুশ তেল কিনতে এখন ভারতের কাছে ভিক্ষা’, জ্বালানি সংকটের মাঝেই ট্রাম্পকে তুলোধনা ইরানের

হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার ফলে বিশ্বের বাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। এক ব্যারেল তেলের দাম পৌঁছে গিয়েছে ১০০ ডলারের উপরে। এহেন পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বেই বাড়ছে জ্বালানি সংকট। মার্কিন রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে শক্তি সম্পদের জোগান যাতে অব্যাহত থাকে, তেলের দাম যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেকারণেই সাময়িক ভাবে সমস্ত দেশকে রুশ তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৪:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৪:১১

options
link
‘রুশ তেল কিনতে এখন ভারতের কাছে ভিক্ষা’, জ্বালানি সংকটের মাঝেই ট্রাম্পকে তুলোধনা ইরানের zoom
ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় ক্ষুব্ধ ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করতেই রুশ তেল নিয়ে নিজেদের নীতিতে বদল এনেছে আমেরিকা। ভারত-সহ অন্যান্য দেশগুলিকে রুশ তেল কেনার ‘অনুমতি’ দিয়েছে ওয়াশিংটন। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তুলোধনা করলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘছি। বলেন, “রুশ তেল (Russian Oil) কিনতে আমেরিকা এখন ভারতের কাছে ভিক্ষা করছে।”

আরাঘছি তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘ওয়াশিংটন কয়েক মাস ধরে ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধ করতে চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু এখন ইরানের সঙ্গে সংঘাতের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এরপরই তারা ভারত-সহ গোটা বিশ্বের কাছে রুশ তেল কিনতে ভিক্ষা করছে।’ ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন আগ্রাসনকে তিনি ‘অবৈধ যুদ্ধ’ বলেও অভিহিত করেছেন। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, আমেরিকা থেকে লাভ পাওয়ার আশায় ইউরোপীয় দেশগুলি এই ‘অবৈধ যুদ্ধে’ ওয়াশিংটনকে সমর্থন করছে।

Advertisement

হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার ফলে বিশ্বের বাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। এক ব্যারেল তেলের দাম পৌঁছে গিয়েছে ১০০ ডলারের উপরে।

ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলায় ক্ষুব্ধ ইরান বিশ্ববাণিজ্যে বিরাট ধাক্কা দিয়ে অন্যতম ব্যস্ত জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজে জাহাজ দেখলেই জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। এর ফলে বিশ্বের অন্তত ৩০টি জায়গায় রুশ তেলবাহী জাহাজ আটকে রয়েছে বলে সূত্রের খবর। সবমিলিয়ে ১২কোটি ৫০ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল এখন রয়েছে সমুদ্রপথে। শুধুমাত্র সেই তেলই কেনা যাবে বলে ‘অনুমতি’ দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার ফলে বিশ্বের বাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। এক ব্যারেল তেলের দাম পৌঁছে গিয়েছে ১০০ ডলারের উপরে। এহেন পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বেই বাড়ছে জ্বালানি সংকট। মার্কিন রাজস্ব সচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে শক্তি সম্পদের জোগান যাতে অব্যাহত থাকে, তেলের দাম যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, সেকারণেই সাময়িক ভাবে সমস্ত দেশকে রুশ তেল কেনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আপাতত আগামী ৩০ দিন সমুদ্রে থাকা রুশ তেল কিনতে পারবে সব দেশই। তার জন্য আমেরিকার কোপে পড়তে হবে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.