Iran

কাটবে জট? ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে এবার জোড়া শর্ত ট্রাম্পের

সূত্রের খবর, আগামী ১৬ এপ্রিল সমাধানসূত্র খোঁজার জন্য ফের আলোচনার টেবিলে বসতে চলেছে আমেরিকা-ইরান। পাকিস্তানেই হবে সেই বৈঠক। দ্বিতীয়বার শান্তি বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য ওয়াশিংটন এবং তেহরান দু’পক্ষই রাজি হয়ে গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ১৫:০৪

options
link
কাটবে জট? ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে এবার জোড়া শর্ত ট্রাম্পের
যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ইরান। ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের সঙ্গে ফের আলোচনায় বসতে রাজি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তার আগে বেঁধে দিলেন দুই শর্ত। একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, আরও একটি শান্তি বৈঠক করতে তেহরানের তরফ থেকে বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল। তাতে সাড়া দিয়েছে ওয়াশিংটন। আগামী দু’দিনের মধ্যে আবার আলোচনায় বসতে চলেছে দু’পক্ষ। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি তাহলে কাটতে চলেছে দীর্ঘ জট?

Advertisement

ইজরায়েলি সংবাদপত্র ‘হেয়মে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফার আলোচনার আগে আমেরিকা প্রধানত দু’টি বিষয়ে নিশ্চয়তা চাইছে। প্রথমত, হরমুজ প্রণালীর মুক্তি এবং সেখানে অবাধ জাহাজ চলাচল। দ্বিতীয়ত, ইরানি প্রতিনিধিদলের হাতে চুক্তি চূড়ান্ত করার পূর্ণ ক্ষমতা। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হরমুজ নিয়ে অনড় মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান যদি হরমুজে জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, তাহলে তাদের জাহাজগুলিও সেখানে চলাচল করতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে, ট্রাম্প চান এবারের আলোচনায় দু’পক্ষ সমাধানের রাস্তায় আসুক।

Advertisement

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের তরফে জানানো হয়েছে, আলোচনায় অংশ নিতে আসা ইরানি প্রতিনিধিদলের হাতে যাতে চুক্তি চূড়ান্ত করার পূর্ণ ক্ষমতা থাকে। বিশেষ করে, চুক্তিতে যেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের অনুমোদন থাকে। ট্রাম্পের মতে, তাদের অনুমোদন ছাড়া কোনও সমঝোতা কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম। এছাড়ও ইসলামাবাদে যদি কোনও সমঝোতা হয়, তাহলে তা যেন ইরানের সমস্ত শীর্ষ নেতৃত্বের সমর্থন পায়, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করতে চাইছে আমেরিকা। কারণ, অতীতে একাধিকবার আলোচনায় অগ্রগতি হলেও পরে অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের কারণে তা ভেস্তে গিয়েছে।

Advertisement

এদিকে সূত্রের খবর, আগামী ১৬ এপ্রিল সমাধানসূত্র খোঁজার জন্য ফের আলোচনার টেবিলে বসতে চলেছে আমেরিকা-ইরান। পাকিস্তানেই হবে সেই বৈঠক। দ্বিতীয়বার শান্তি বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য ওয়াশিংটন এবং তেহরান দু’পক্ষই রাজি হয়ে গিয়েছে।  

উল্লেখ্য, পাকিস্তানে প্রথম শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর আর্থিকভাবে ইরানকে বিপাকে ফেলতে উঠে পড়ে লেগেছে আমেরিকা। ওয়াশংটন জানিয়ে দিয়েছে, ইরানকে অবৈধভাবে শুল্ক দেওয়া যে কোনও জাহাজকে আটক করবে মার্কিন সেনা। পাশাপাশি, মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড ঘোষণা করেছে, ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকা অবরোধ করবে তারা। অন্যদিকে, ইরানের তরফে পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, যদি ইরানের বন্দরকে নিশানা করা হয়, তবে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের কোনও বন্দরই নিরাপদ থাকবে না। অর্থাৎ যুদ্ধবিরতির সময়ে সামরিক হামলা খানিকটা বন্ধ থাকলেও রণংদেহি মেজাজে রয়েছে দুই দেশ। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.