Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
US and Iran

পাকিস্তান থেকে ফেরার পথেও মার্কিন হামলার ঝুঁকি! বিমান ঘুরিয়ে ট্রেনে-বাসে ফেরেন ইরানের প্রতিনিধিরা

গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠকে বসে দুই দেশ। ২১ ঘন্টা ধরে আলোচনা চলে দু’পক্ষের মধ্যে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ১৩:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ১৩:৫০

options
link
পাকিস্তান থেকে ফেরার পথেও মার্কিন হামলার ঝুঁকি! বিমান ঘুরিয়ে ট্রেনে-বাসে ফেরেন ইরানের প্রতিনিধিরা zoom
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ আলোচনায় বসেন।

শান্তি বৈঠক কার্যতই ভেস্তে গিয়েছে। ফের বুধবারই দ্বিতীয় বৈঠক হতে পারে ইরান ও আমেরিকার। এই পরিস্থিতিতে তেহরান ফের তোপ দাগল আমেরিকাকে। জানাল, পাকিস্তান থেকে বৈঠক সেরে ফেরার পথে তাদের বিমানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা ছিল। আর তাই অনেকটাই ঘুরপথে ফিরতে হয় তাদের। বিমানের রুট ঘোরানোর পাশাপাশি গাড়ি, ট্রেন, বাসে করে তবে দেশে ফেরেন ইরানের প্রতিনিধিরা। যাঁদের মধ্যে ছিলেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ ও বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচিও।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডির দাবি, তিনি সফরকারী দলের সঙ্গে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফেরার পথে তাঁদের কাছে লেবাননের সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর ছিল, মার্কিন হামলার মুখে পড়তে হতে পারে। তাঁর কথায়, ”ইসলামাবাদ যাওয়ার পথে আমরা জানতে পেরেছিলাম, আমাদের বিমানে হামলা চালানো হতে পারে। ফিরে আসার পথে তাই আমরা তেহরানে বিমানে করে ফিরিনি। আশঙ্কা ছিল, আমাদের বিমানটি গুলি করে নামিয়ে ফেলা হবে। কিংবা বিমান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপও করা হতে পারে। তাই আমরা গোপনে একটা অন্য বিমানে উঠলাম। তেহরানগামী সেই বিমানটি হঠাৎই গতিপথ পরিবর্তন করে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে মাশহাদে অবতরণ করে। এরপর আমরা সবাই ট্রেন, গাড়ি এবং বাসে করে তেহরানে পৌঁছই। আসলে আমরা আমেরিকাকে বিশ্বাস করি না।”

Advertisement

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডির দাবি, তিনি সফরকারী দলের সঙ্গে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফেরার পথে তাঁদের কাছে লেবাননের সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর ছিল, মার্কিন হামলার মুখে পড়তে হতে পারে।

প্রসঙ্গত, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠকে বসে দুই দেশ। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ আলোচনায় বসেন। ২১ ঘন্টা ধরে আলোচনা চলে দু’পক্ষের মধ্যে। আগামী শান্তি বৈঠকেও এই দুই প্রতিনিধিই আলোচনায় বসবেন কিনা, জানা নেই। ইসলামাবাদে দ্বিতীয় বৈঠক হবে, তেমনটাও প্রাথমিক ভাবে জোর দিয়ে বলা যাচ্ছিল না। বৈঠকের বিকল্প কেন্দ্র হিসাবে জেনিভার কথা শোনা যাচ্ছিল। তবে এখন শোনা যাচ্ছে পাকিস্তানেই ফের হতে পারে নতুন বৈঠক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.