Donald Trump

‘নরক উৎখাত হল’, খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের দিনই গর্জন ট্রাম্পের, পালটা তোপ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে

আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় নিহত হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর দিনের সেই ঘটনার ১২৬ দিন পরে, ৪ জুলাই তেহরানে তাঁর অন্ত্যেষ্টির আয়োজন করেছে ইরান। স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রশ্ন উঠছে, মৃত্যুর পর চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও কেন সমাহিত করা হয়নি খামেনেইকে!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৪:০৫

options
link
‘নরক উৎখাত হল’, খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের দিনই গর্জন ট্রাম্পের, পালটা তোপ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে
আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় নিহত হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।

শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে ইরানের নিহত প্রাক্তন সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের ধর্মীয় প্রক্রিয়া। ৯ জুলাই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তাঁকে সমাহিত করা হবে। এই আবহে গর্জন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বললেন, “ইরান থেকে নরক উৎখাত করেছি।” 

Advertisement

শনিবার আমেরিকায় একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমরা একদিনেই ভেনেজুয়েলাকে পরাস্ত করেছি। ইরানকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছি। এখন ওরা সমঝোতা করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। খামেনেইয়ের শেষকৃত্য চলার জন্য ওদের আমরা একসপ্তাহ ছুটি দিয়েছি। কারণ, আমরা ভালো মানুষ।” তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেখানের প্রধান প্রার্থনাকক্ষে রাখা হয়েছে প্রয়াত নেতার মরদেহের কফিনটি। শনিবার সেখানে শোকজ্ঞাপন করতে উপস্থিত হয়েছিলেন প্রচুর মানুষ। সেখান থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্টকে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। পাশাপাশি, স্লোগান তোলেন, ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক।’, ‘প্রতিশোধ চাই।’    

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় নিহত হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর দিনের সেই ঘটনার ১২৬ দিন পরে, ৪ জুলাই তেহরানে তাঁর অন্ত্যেষ্টির আয়োজন করেছে ইরান। স্বাভাবিক ভাবেই এই প্রশ্ন উঠছে, মৃত্যুর পর চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও কেন সমাহিত করা হয়নি খামেনেইকে! এতদিন কোথায় রাখা হয়েছিল তাঁর দেহ, সেই প্রশ্নও উঠছে। বলে রাখা ভালো, ইসলামের রীতি অনুযায়ী এত বিলম্ব একেবারেই অস্বাভাবিক। তাঁর মৃত্যুর পর ইরান যে চরম ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, এই বিলম্ব তারই ইঙ্গিতবহ। তাঁর মৃত্যুর পর কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত লাগাতার ইরানে বোমাবর্ষণ করে গিয়েছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। এই সময়ে খামেনেইয়ের দেহ অস্থায়ী কবর দেওয়া হয়েছিল বলে একটা গুঞ্জন রটেছিল। কিন্তু ইরান প্রশাসনের দাবি, ধর্মীয় নিয়মকানুন মেনেই খামেনেইয়ের মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.