Akhundzada

তালিবানের সুপ্রিম নেতা আখুন্দজাদা কি আদৌ বেঁচে আছে? ক্রমশ বাড়ছে রহস্য

কেন এতদিনেও সমাধান হয়নি এই রহস্যের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২১, ১২:১১

options
link
তালিবানের সুপ্রিম নেতা আখুন্দজাদা কি আদৌ বেঁচে আছে? ক্রমশ বাড়ছে রহস্য

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আদৌ কি বেঁচে রয়েছে তালিবানের (Taliban) সুপ্রিম লিডার আখুন্দজাদা (Akhundzada)? ইতিমধ্যেই কি মারা গিয়েছে সে? নাকি আত্মগোপন করে রয়েছে? আগস্টে তালিবান আফগানিস্তান (Afghanistan) দখল করার পর থেকেই এই প্রশ্ন ক্রমশ জোরাল হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই প্রশ্নের উত্তর তো মেলেইনি, বরং যত সময় যাচ্ছে ততই রহস্য ক্রমে ঘনীভূত হচ্ছে। সেই সঙ্গে জাগছে আরও একটা প্রশ্ন। যদি সত্যিই আখুন্দজাদা মারা গিয়ে থাকে তাহলে তালিবানের নেতৃত্বে এই মুহূর্তে কে রয়েছে?

Advertisement

সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা এএফপি এব্যাপারে অনুসন্ধান চালিয়েছিল। কিন্তু নানা ভাবে খুঁজেপেতেও তারা কোনও হালহদিশ পায়নি এই রহস্যের। কিন্তু কেন? কেন আখুন্দজাদার বিষয়ে এই রহস্য জিইয়ে রাখতে চায় জেহাদিরা?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: এবার বাড়ছে ATM থেকে টাকা তোলার খরচও! নতুন বছর থেকেই লাগু নয়া নিয়ম]

গত ৩০ অক্টোবর তালিবানের এক মুখপাত্র জানিয়ে দেয়, আখুন্দজাদা মারা যায়নি। সে বহাল তবিয়তেই রয়েছে কান্দাহারে। শুধু তাই নয়, জানা যায় সে নাকি হাকিমিয়া মাদ্রাসাতে এসে বক্তৃতাও দিয়েছে। কিন্তু সেই খবর কি সত্যি? দানা বাঁধছে সন্দেহ।

Advertisement

আসলে সেদিন ওই মাদ্রাসায় উপস্থিত পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছিল। যদিও কাজটা কঠিন ছিল। কেননা সেদিনের পর থেকে মাদ্রাসার গেটের সামনে সব সময় মোতায়েন থাকে তালিবান রক্ষী। তবুও কোনও মতে যাদের সঙ্গে কথা বলা গিয়েছে, তারা জানিয়েছে, সেদিন মোবাইল কিংবা সাউন্ড রেকর্ডার সব বন্ধ রাখার কড়া নির্দেশ ছিল। মিনিট দশেকের মতো ছিল আখুন্দজাদা। সে ছিল সশস্ত্র এবং তাকে ঘিরে রেখেছিল তিন জন সশস্ত্র রক্ষী। কিন্তু লোকটা সত্য়িই তালিবান সুপ্রিমোই তো? এব্য়াপারে এক পড়ুয়ার মন্তব্য, ”আমরা সকলেই তাকে দেখেছি। আর কেঁদেছি। কিন্তু আমরা কেউই তার মুখ দেখিনি।”

[আরও পড়ুন: লোকসভায় ৩০০ আসন পাওয়ার ক্ষমতা নেই কংগ্রেসের! দলের অস্বস্তি বাড়ালেন গুলাম নবি আজাদ]

এই দোলাচলই জাগাচ্ছে রহস্য। অবশ্য আখুন্দজাদাকে নিয়ে এমন ধন্দ অবশ্য আজকের নয়। আসলে ২০১৬ সালের পর থেকে কখনওই জনসমক্ষে আখুন্দজাদাকে দেখা যায়নি। ফলে সেই সময় থেকেই তার বেঁচে থাকা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। মোল্লা ওমরের মতো নেতার ক্ষেত্রেও তালিবান দীর্ঘদিন মৃত্যু সংবাদ চেপে রেখেছিল। তাই এবারও সেই পথে তারা হাঁটতেই পারে। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে আখুন্দজাদার কেবল একটাই ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সেই ছবি প্রকাশ করেছিল। কিন্তু ওই একটি ছবি ছাড়া আর আখুন্দজাদার উপস্থিতির কোনও প্রমাণ মেলেনি। পরবর্তী সময়ে ছবিও দেখা যায়নি।

এমনিতেই মনে করা হয়, আমেরিকার ভয়ে সব সময় লুকিয়ে থাকতেই চায় আখুন্দজাদা। এমনকী মার্কিন সেনা সেদেশ ছাড়ার পরও সে একই ভাবে আত্মগোপন করে রয়েছে। কিন্তু সেই সঙ্গে এই সম্ভাবনাও জোরাল, হয়তো আদৌ বেঁচেই নেই প্রবীণ জঙ্গি নেতা। কিন্তু এখন সেকথা যদি ঘোষণা করে দেওয়া হয়, তাহলে সুপ্রিম লিডার হওয়া নিয়ে তীব্র হতে পারে তালিবানের অন্তর্দ্বন্দ্ব। তাছাড়া এই মুহূর্তে তালিবানকে প্রবল চাপে রেখেছে আইসিস-কে। সেই জঙ্গি গোষ্ঠীও এই ফায়দা তুলতে পারে। তাই হয়তো চেপে রাখা হচ্ছে মৃত্যু সংবাদ। দুই সম্ভাবনাই জোরাল। তবে এখনও আসল সত্যি রয়েছে আড়ালে। হয়তো একসময় তা প্রকাশ্যে আনবে তালিবানই। কিন্তু যতদিন তা না হচ্ছে, রহস্য ঘনীভূত হয়েই চলবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.