Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৩ জুন ২০২৬
Birbhum

ডবল ইঞ্জিন সরকারে শিক্ষায় নয়া পালক! মানোন্নয়নে ‘পিএমশ্রী’, বীরভূমে বাছাইপর্বে ২৭৮ স্কুল

প্রকল্পের ব্যয়ের ৬০ শতাংশ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার এবং বাকি ৪০ শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার। অনুমোদনের পর প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য প্রায় ১ কোটি টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য আড়াই কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা মিলবে।

Advertisement
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ০৯:০৬

link
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ০৯:০৬

options
link
ডবল ইঞ্জিন সরকারে শিক্ষায় নয়া পালক! মানোন্নয়নে ‘পিএমশ্রী’, বীরভূমে বাছাইপর্বে ২৭৮ স্কুল zoom
প্রতীকী ছবি।

বীরভূমের স্কুলে স্মার্ট ক্লাসরুম থেকে সোলার প্যানেল, ‘পিএমশ্রী’ আওতায় আনা সময়ের অপেক্ষা। ১৯ ব্লকে সমীক্ষা শেষ, শীঘ্রই ঘোষণা হবে ‘পিএমশ্রী’ তকমাপ্রাপ্ত স্কুলের নাম। কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলার প্রতিটি ব্লকে দু’টি করে বিদ্যালয়কে ‘পিএমশ্রী’ মডেল স্কুল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। পালাবদলের পর জেলার ১৯টি ব্লকে মোট ২৭৮টি বিদ্যালয়ে পরিদর্শন ও সমীক্ষার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই ‘পিএমশ্রী’ তকমা পাওয়ার জন্য নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলির নাম ঘোষণা হতে চলেছে।

বিদ্যালয়গুলিকে আধুনিক পরিকাঠামো ও উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে। প্রকল্পের আওতায় স্মার্ট ক্লাসরুম, আধুনিক ল্যাবরেটরি, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, খেলার মাঠ এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার উন্নত সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা হবে। সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বৃষ্টির জল সংরক্ষণের মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

প্রশাসনের দাবি, প্রতিটি ব্লক থেকে একটি প্রাথমিক এবং একটি উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সরকারি বা সরকার-পোষিত বিদ্যালয়কে প্রাথমিক পর্যায়ে বেছে নেওয়া হয়েছে। অনুমোদন মিললে এই বিদ্যালয়গুলিকে আধুনিক পরিকাঠামো ও উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে। প্রকল্পের আওতায় স্মার্ট ক্লাসরুম, আধুনিক ল্যাবরেটরি, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, খেলার মাঠ এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার উন্নত সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা হবে। সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বৃষ্টির জল সংরক্ষণের মতো পরিবেশবান্ধব উদ্যোগও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তবে ২০২৭ সালের মধ্যে বিদ্যালয়গুলিকে ধাপে ধাপে ‘পিএমশ্রী’ প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অনুমোদনের পর প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য প্রায় এক কোটি টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য আড়াই কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা মিলবে।

প্রকল্পের ব্যয়ের ৬০ শতাংশ বহন করবে কেন্দ্রীয় সরকার এবং বাকি ৪০ শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার। অনুমোদনের পর প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য প্রায় এক কোটি টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলির জন্য আড়াই কোটি টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা মিলবে। বোলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রফিকুল হাসান বলেন, “ইতিমধ্যেই বিদ্যালয়গুলিতে পরিদর্শন ও সমীক্ষার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।”জেলা প্রশাসনের দাবি, পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে এই প্রকল্প নিয়ে বিভিন্ন জটিলতা ও মতবিরোধ ছিল। নতুন সরকারের উদ্যোগে সেই অচলাবস্থা কাটিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত হয়েছে। জেলার প্রায় ৫০টি বিদ্যালয় উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নানুরে দুই শিক্ষা চক্রে তিনটি উচ্চ বিদ্যালয়-সহ মোট ১১টি এবং লাভপুরের দুই শিক্ষা চক্রে আটটি উচ্চ বিদ্যালয়-সহ মোট ২৩টি বিদ্যালয়ে সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তালিকায় রয়েছে কীর্ণাহার শিবচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, ভেপুরা হাইস্কুল এবং বড়া শ্রীগৌরাঙ্গ বিদ্যালয়। প্রাথমিক স্তরে রয়েছে মোহনপুর, চণ্ডীপুর, ছাতিনগ্রাম, আলিগ্রাম, পোষলা, বন্দর ও সরডাঙা নবজীবনের পথে প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ব্রাহ্মণখণ্ড জুনিয়র বেসিক স্কুল। অন্যদিকে লাভপুর এলাকায় সমীক্ষার আওতায় এসেছে যাদবলাল, চৌহট্টা,হাটকালুহা বাদশাহী, জামনা ধ্রুববাটি এন.আর, কুরুম্বা মুকুন্দলাল, বিপ্রটিকুরী, কুরুন্নাহার ও বুনিয়াডাঙাল হাইস্কুল। প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তরে রয়েছে হাতিয়া-১ ও ২, লায়েকপুর, হীরাপুর, বড়গোগা, ঘাটতোড়, মীরবাঁধ, আবাদাঙা, সাওগ্রাম পালপাড়া, পাঁচপাড়া, দোনাইপুর ও ঠিবা প্রাথমিক বিদ্যালয়। এছাড়াও তালিকাভুক্ত হয়েছে সন্দীপন পাঠশালা, মহুগ্রাম এসসিসি স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং মস্তুলি দেবীশঙ্কর জুনিয়র বেসিক স্কুল। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে তা পোর্টালে আপলোড করা হচ্ছে। জেলার মোট ৬১২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৭৮টি বিদ্যালয় বর্তমানে বাছাইপর্বের তালিকায় রয়েছে। রাজ্য সরকারের সুপারিশের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদন মিললে ‘পিএমশ্রী’ তকমাপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলির নাম ঘোষণা হবে। কতগুলি স্কুল সেই তালিকায় আসে, তার দিকে তাকিয়ে সকলে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.