গত ২৯ মার্চ ধারাবাহিকের শুটিং করাকালীন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে গর্জে উঠেছিল ফেডারেশন অফ ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ (FWICE)। প্রযোজনা সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করার দাবি তোলার পাশাপাশি মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণও দাবি করেছিল সংশ্লিষ্ট সংগঠন। এবার সঞ্জয়লীলা বনশালির (Sanjay Leela Bhansali) বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’ (Love and War) ছবির শুটিংয়ে জনৈক কলাকুশলীর মৃত্যুতে ফের সুর চড়াল FWICE।

আরও পড়ুন:
বছর দুয়েক ধরেই চর্চায় সঞ্জয় লীলা বনশালির ত্রিকোণ প্রেমের সিনেম্যাটিক মহাকাব্য। কবে মুক্তি পাবে ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’? এই প্রশ্ন দীর্ঘদিনের। প্রথমত, ভিকি কৌশল, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাটের মতো দক্ষ তারকাদের কাস্টিং, উপরন্তু একাত্তরের আঁধারে পিরিয়ড ড্রামা। অতঃপর সেই সিনেমা নিয়ে যে দর্শকমহলে বিশেষ কৌতূহল থাকবে, তা বলাই বাহুল্য। গোড়ার দিকে নির্মাতারা আশ্বাস দিয়েছিলেন, পঁচিশে না হলেও অন্তত ছাব্বিশ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আলো দেখবে ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’। কিন্তু আগাম প্রতিশ্রুতিই সার! শেষমুহূর্তে ফের কিছু দৃশ্যের পুনর্নিমাণে ব্যস্ত বনশালি। আর সেই শুটিং সেটেই এক মর্মান্তিক ঘটনার জেরে বিপাকে বনশালির প্রযোজনা সংস্থা।
১৭ জুন মুম্বইয়ের গোরেগাঁও ইস্টের রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশল অভিনীত সিনেমার শুটিং চলছিল। সেখানেই বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক সেট ডিজাইন শিল্পীর জানা গিয়েছে, ৪২ বছর বয়সি ওই কাঠমিস্ত্রির নাম চন্দ্রধারী যাদব।
ঠিক কী ঘটেছে? খবর, গত ১৭ জুন মুম্বইয়ের গোরেগাঁও ইস্টের রয়্যাল পাম্প স্টুডিওতে রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট ও ভিকি কৌশল অভিনীত সিনেমার শুটিং চলছিল। সেখানেই বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক সেট ডিজাইন শিল্পীর জানা গিয়েছে, ৪২ বছর বয়সি ওই কাঠমিস্ত্রির নাম চন্দ্রধারী যাদব। এদিন ভোর ৩টে নাগাদ শর্ট সার্কিটের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে অনুমান প্রাথমিক তদন্তে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মৃতের পরিবারের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। শুধু তাই নয়, ‘ফেডারেশন অফ ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ’ এবং FSSAMU যৌথভাবে প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে আর্থিক সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছে। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে যদিও ওই কলাকুশলীর পরিবারকে ৪০ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল বনশালির প্রযোজনা সংস্থা, তবে FWICE-এর তরফে আরও ১০ লক্ষ বাড়িয়ে মোট ৫০ লক্ষ ক্ষতিপূরণের দাবি করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, মৃত কর্মীর পরিবারের ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে তাঁর অল্পবয়সি কন্যাদের শিক্ষা ও ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে। এবার বনশালির সংস্থা তাতে রাজি হয় কিনা? নজর থাকবে সেদিকে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পেনাল্টি মিসেও জোড়া গোলে মহানায়ক মেসি, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা
-
‘আপনার নেতৃত্বে সোনার বাংলা গড়ে তুলব’, মোদিকে আবেগঘন চিঠি শুভেন্দুর
-
সর্বকালের সেরা, ‘হ্যান্ড অফ গডে’র দিন বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড ভাঙলেন GOAT মেসি
-
বাজেটে বরাদ্দ ৫০ কোটি, প্রসার ঘটবে ভাষা-সংস্কৃতির, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে ধন্যবাদ মূল মানতার
-
‘আসল’ তৃণমূলে গিয়ে মমতার চেয়ারে টান! ফিরহাদ, অরূপ-সহ একগুচ্ছ নেতাকে শোকজ কালীঘাটের