Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২২ জুন ২০২৬
West Bengal Budget 2026

‘পদ্মগড়ে’ কল্পতরু ডবল ইঞ্জিন! পর্যটন, চা শিল্প থেকে স্বাস্থ্য-শিক্ষা, উত্তরে ঢালাও বরাদ্দ

রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বিজেপির উপর উত্তরবঙ্গবাসীর টানা ভরসার 'রিটার্ন গিফট' প্রকাশ পেল নতুন সরকারের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৭:১৪

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৭:১৪

options
link
‘পদ্মগড়ে’ কল্পতরু ডবল ইঞ্জিন! পর্যটন, চা শিল্প থেকে স্বাস্থ্য-শিক্ষা, উত্তরে ঢালাও বরাদ্দ zoom
প্রতীকী ছবি।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উত্তরবঙ্গে পা রেখেই শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, উত্তরের ঋণ শোধ করবে বিজেপি সরকার। আসলে গত ১৫ বছর রাজ্যের ক্ষমতা তৃণমূলের হাতে থাকলেও উত্তরবঙ্গ বরাবর ভরসা রেখেছে পদ্মশিবিরের উপরেই। গত বিধানসভা ভোটেও বিপুল জনসমর্থন পেয়েছে বিজেপি। সোমবার বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে (West Bengal Budget 2026) উত্তরবঙ্গ নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত (Swapan Dasgupta)। তিনি জানান, উত্তরবঙ্গে আইআইটি ও এইমস হবে। কালিম্পং ও দক্ষিণ দিনাজপুরে দুটি নতুন মেডিক্যাল কলেজ, শিলিগুড়িতে মেট্রো পরিষেবা চালুর সম্ভাবনার কথা শোনান অর্থমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গে নতুন বিমানবন্দরের ঘোষণাও করা হয় বাজেটে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বাণিজ্যিক কাজে টি-এস্টেটের জমি ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হল।

উত্তরবঙ্গে একটি আইআইটি ও একটি আইআইএম স্থাপনের কথা ঘোষণা। হাসিমারা এয়ার বেসের জন্য ২৫ একর জমি বরাদ্দ হবে। কোচবিহার বিমানবন্দরের সম্প্রসারণের ঘোষণা। উত্তরবঙ্গে এমএমএস ও ক্যানসার হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে নতুন মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন। একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম এবং একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে।

বাজেটে উত্তরবঙ্গে একটি আইআইটি ও একটি আইআইএম স্থাপনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। হাসিমারা এয়ার বেসের জন্য ২৫ একর জমি বরাদ্দ করা হবে। কোচবিহার বিমানবন্দরের সম্প্রসারণের ঘোষণাও করা হয়েছে। এছাড়াও, উত্তরবঙ্গে এমএমএস ও ক্যানসার হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে নতুন মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের কথাও জানানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম এবং একটি ইনডোর স্টেডিয়াম তৈরি হবে। তিনি জানিয়েছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ চা পর্যটন নীতি, চা বাগানের ৩০ শতাংশ জমি ব্যবসার জন্য ব্যবহার করার অনুমতি দেয়। প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং চা-বাগান এলাকার ঐতিহ্য রক্ষা করতে, চা পর্যটন এবং ব্যবসায়িক কাজের জন্য চা বাগানের জমির বাণিজ্যিক ব্যবহারের পরিমাণ কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রাখছি।’ পাশাপাশি চা বাগানের শ্রমিকদের কল্যাণ ও জীবিকার সুরক্ষা সুনিশ্চিত করার জন্য রাজ্য ও ভারত সরকারের সাহায্যে পিএম চা শ্রমিক যোজনা চালু করবে।  

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রসঙ্গত, তৃণমূল সরকারের আমলে ২০২৪ সালে রাজ্যের শ্রম দপ্তর চা বাগানের ৩০ শতাংশ জমিকে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের সবুজ সংকেত দিয়েছিল। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ওই জমিতে হোটেল, রেস্তরোঁ তৈরি করার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। তা নিয়েও চা বাগানের মালিক থেকে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভও ছিল বিস্তর। শুরু থেকেই এই নির্দেশিকার বিরোধিতায় প্রতিবাদে নেমেছিল তৎকালীন বিরোধী শিবির বিজেপিও। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠন করতেই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক ধাক্কায় অর্ধেক করে দেওয়া হল চা বাগানে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত জমির পরিমাণ।

অন্যদিকে রাজ্যের পর্যটনকে বিশ্বমানের করে তুলতে বড় ঘোষণা করা হয় বাজেটে। পর্যটন পরিকাঠামোর ভোল বদলাতে তৈরি করা হবে নির্দিষ্ট রূপরেখা। উত্তরবঙ্গের পাহাড় সুন্দরী দার্জিলিংয়ের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। সরকারি খতিয়ান অনুযায়ী, এবার দার্জিলিংকে একটি ইকো অ্যাডভেঞ্চার ও ঐতিহ্য বহনকারী পর্যটন কেন্দ্রের রূপ দেওয়া হবে। ট্রেকিং, হাইকিং, র‌্যাফটিং এবাং প্যারাগ্লাইডিং-এর মতো অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসের প্রসার করা হবে। আন্তর্জাতিক স্তরে দার্জিলিংকে তুলে ধরতে বিশ্বব্যাপী ব্র্যান্ডিং এবং অভিজ্ঞতামূলক পর্যটন প্রচার চালানো হবে। পর্যটন শিল্পের মানোন্নয়নে বহুমুখী প্রশিক্ষণের জন্য বিশেষ প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হবে। পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী চা বাংলো ও পুরনো আমলের পরিকাঠামো ও স্থাপত্যগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলির হেরিটেজ ম্যাপিং করা হবে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, বিজেপির উপর উত্তরবঙ্গবাসীর টানা ভরসার ‘রিটার্ন গিফট’ যেন প্রকাশ পেল নতুন সরকারের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে। পর্যটন মন্ত্রী তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “উত্তরবঙ্গের মানুষ হিসেবে বলতে পারি, এবারের বাজেটে উত্তরবঙ্গ যেভাবে গুরুত্ব পেয়েছে, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে সক্ষম হব। মানুষের প্রত্যাশা পূরণের যে দায়ভার মানুষ আমাদের কাঁধে তুলে দিয়েছেন,তার বাস্তবায়নের পথে এই বাজেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.