Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

CAA ও NRC নিয়ে বিক্ষোভের জের, সফর বাতিল বাংলাদেশের আরও এক মন্ত্রীর

গত ৪০ দিনে ভারত সফর বাতিল করলেন হাসিনা মন্ত্রিসভার তিন সদস্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২০, ১৪:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০২০, ১৪:৩৫

options
link
CAA ও NRC নিয়ে বিক্ষোভের জের, সফর বাতিল বাংলাদেশের আরও এক মন্ত্রীর zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনজাতীয় নাগরিক পঞ্জির বিরুদ্ধে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হচ্ছে। কোনও কোনও জায়গায় অশান্তির জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে। এই অবস্থায় পূর্ব নির্ধারিত ভারত সফর বাতিল করলেন হাসিনা মন্ত্রিসভার আরও এক সদস্য। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে বৈঠকের জন্য এই সপ্তাহের শেষে দিল্লি আসার কথা ছিল বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের। কিন্তু, তিনি সেই সফর বাতিল করেছেন বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি কয়েকদিন আগে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নির্যাতন নিয়ে সরকারকে যে দায়ী করেছিলেন তার প্রভাব পড়েছে বলেও মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

এই সপ্তাহের শেষে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের উদ্যোগে দিল্লিতে ‘Raisina Dialogue‘ নামে একটি বৈঠক হওয়ার কথা। প্রতিবছর আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। যা দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের জেরে শাহরিয়ার আলম তাঁর সফর বাতিল করলেন বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: শ্রম আইন ভাঙার অভিযোগ, ফৌজদারি মামলা নোবেলজয়ী ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে]

 

যদিও কূটনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি দিল্লিতে বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা ছিল শাহরিয়ার আলমের। কিন্তু, তিনি সেসময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আবু ধাবিতে থাকছেন। তাই ভারতে আসতে পারবেন না।

[আরও পড়ুন: হাসিনার মন্ত্রীর হাতে ২৮ লক্ষের ঘড়ি, উঠছে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ]

 

সম্প্রতি বিভিন্ন দেশে সংখ্যালঘু অবস্থার কথা বলতে গিয়ে অমিত শাহ অভিযোগ করেছিলেন, ‘সংখ্যালঘুদের অত্যাচার করছে বাংলাদেশ সরকার।’ এই কথার তীব্র প্রতিবাদ করেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী একে আবদুল মোমিন। এই কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করে তিনি মন্তব্য করেন, ‘ভারতকে অত্যন্ত সহিষ্ণু দেশ বলেই মনে করি আমরা। তবে ধর্মনিরপেক্ষতার ধারণা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবুও আমরা আশা করব ভারত এমন কিছু করবে না যাতে অপরের ক্ষতি করবে।’ বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে দেখে তড়িঘড়ি আসরে নাম কেন্দ্র। জানিয়ে দেওয়া, অমিত শাহ বাংলাদেশের বর্তমান সরকার সম্পর্কে কিছু বলেননি। উনি সেনা শাসনে বাংলাদেশের কী হাল ছিল সেই অবস্থার কথা বলেছেন। যদিও এতে কোনও কাজ হয়নি। ভারত সফর বাতিব করেছিলেন মোমিন। CAA নিয়ে বিক্ষোভের জেরে আসেননি হাসিনা সরকারের অর্থমন্ত্রীও। পরে গত সপ্তাহে দুদেশের মধ্যে নদী সংক্রান্ত বৈঠকও বাতিল হয়। এবার বাতিল হল বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.