Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক, আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা এডিবির

শরণার্থীদের পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যবহৃত হবে টাকা৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৪

options
link
রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক, আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা এডিবির zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াল ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক’ (এডিবি)৷ শরণার্থীদের জন্য পরিকাঠামো নির্মাণে বাংলাদেশকে ১০ কোটি মার্কিন ডলারের অনুদান দিল এডিবি৷

[জাকির নায়েককে ভারতে প্রত্যর্পণের আবেদন নাকচ মালয়েশিয়ার]

Advertisement

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, শুক্রবার অনুদানের কথা ঘোষণা করেছে এডিবি৷ রোহিঙ্গাদের জন্য পরিকাঠামো নির্মাণ ও বিভিন্ন সেবামূলক কাজে এই টাকা খরচ করা হবে৷ মায়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা৷ মানবতার খাতিরে তাদের আশ্রয় দিলেও প্রবল চাপে রয়েছে উন্নয়নশীল দেশটির অর্থনীতি৷ পাশাপাশি পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ৷ এই পরিস্থিতিতে ঢাকার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত-সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চ৷ কয়েকদিন আগেই রোহিঙ্গাদের জন্য ৪৮ কোটি মার্কিন ডলার অনুদান দেয় বিশ্বব্যাংক৷ পাশাপাশি ত্রাণ সামগ্রী পাঠাচ্ছে বহু দেশ৷

এর মাধ্যমে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মাতৃত্বকালীন, নবজাতক, শিশু, কিশোরদের স্বাস্থ্য পরিষেবা, প্রজননজনিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং পরিবার পরিকল্পনায় সাহায্য করা হবে। প্রসঙ্গত, রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন শুরু হয় গত বছরের আগস্টে। রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি চৌকিতে হামলার পর রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংস আক্রমণ করতে শুরু করে মায়ানমার সেনাবাহিনী। খুন ও নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় ৭ লক্ষ রোহিঙ্গা। এর আগে এসেছে আরও ৪ লক্ষ রোহিঙ্গা। সম্প্রতি অবশ্য রোহিঙ্গা ইস্যুতে সুর কিছুটা হলেও নরম করেছে মায়ানমার। কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার পর প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নিতে রাজি হয়েছে সু কি সরকার।

গত মাসেই টানা বৃষ্টিতে প্রবল ক্ষতিগ্রস্ত হয় টেকনাফ ও কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলি।  বানের জলে ভেসে যায় কয়েক হাজার আশ্রয় কেন্দ্র। বাংলাদেশের সরকার এর আগে বলেছিল, রোহিঙ্গাদের জন্য নোয়াখালির ভাসানচরে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে তারা। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভাসানচরে সুনির্দিষ্ট মডেলে ঘরবাড়ি এবং সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এক লক্ষ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে  আশ্রয় দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে এই বিপুল পরিকাঠামো নির্মাণে বিপুল অঙ্কের অর্থের জোগান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের কাছে৷

[প্রত্যাবাসনে বাধা রোহিঙ্গা নেতারাই, ডামাডোলে বিপাকে স্থানীয়রা ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.