Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Bangladesh

ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে পালানোর সময়ে ফের নৌকাডুবি, মৃত্যু অধিকাংশ বাংলাদেশির

মৃতদের তালিকায় রয়েছেন সুদান, এরিত্রিয়ার বাসিন্দারাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২১, ১৩:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২১, ১৩:৫৫

options
link
ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে পালানোর সময়ে ফের নৌকাডুবি, মৃত্যু অধিকাংশ বাংলাদেশির zoom
ফাইল ছবি

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ফের গোপন পথে পালাতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় মৃত্যুর মুখে বাংলাদেশি (Bangladesh)-সহ অন্তত ৪৩। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছেন আরও তিনটি দেশের নাগরিকরা। ভূমধ্যসাগর দিয়ে লিবিয়া থেকে সাগর পথে ইটালি (Italy) যাওয়ার পথে শনিবার এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে নৌকায় থাকা আরও ৮৪ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে বলে খবর। এখনও নিখোঁজ ৪৩ জন।

তিউনিশিয়ার রেড ক্রিসেন্টের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার ভূমধ্যসাগরে (Mediterranean Sea) যে নৌকাটি ডুবে গিয়েছে, তার যাত্রীরা বেশিরভাগ বাংলাদেশ, সুদান এবং এরিত্রিয়ার নাগরিক। লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিম উপকূলে জুওয়ারা থেকে ইটালির দিকে রওনা দিয়েছিল নৌকাটি। রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তা মঙ্গি স্লিম বলেন, ”লিবিয়ার জুওয়ারা থেকে ইউরোপের দিকে যাত্রা করা অভিবাসীদের ৮৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের জারজিসের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হয়েছে।” রাষ্ট্রসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই বছরের প্রথম ছ’মাসে ভূমধ্যসাগরে পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন দেশের ৩৫ হাজারেরও বেশি মানুষ ইটালি, গ্রিস, স্পেন, সাইপ্রাস ও মাল্টায় পৌঁছেছেন। ইটালি যেতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপগামী অভিবাসীদের ৬০ শতাংশের বেশি লিবিয়া থেকে যাত্রা করেন। আর সেখানেই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা রুখতে তৎপর হাসিনা প্রশাসন, মডার্নার ২৫ লক্ষ ডোজ টিকা পেল বাংলাদেশ]

শরণার্থীদের নিয়ে যে সব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কাজ করে, তাদের মতে, এশিয়া ও আফ্রিকা থেকে ইউরোপে আশ্রয় খুঁজতে যাওয়া মানুষজনকে প্রলোভন দেখিয়ে তাদের পাচারের ষড়যন্ত্র করে একদল অসাধু চক্র। দ্রুত নতুন দেশে পৌঁছে দেওয়া আশা দেখিয়ে তাঁদের রাবারের ডিঙা, কাঠের নৌকা ও জেলে নৌকায় তুলে দেয়। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি মানুষ বহন করতে গিয়ে এসব নৌকা ভূমধ্যসাগরের উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে যুঝতে অক্ষম হয়ে। ফলে দুর্ঘটনা অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠে। এখন বাংলাদেশের যুবকরা বেশি উপার্জনের আশায় প্রায়শয়ই এই ঝুঁকি নিয়ে ইউরোপের দেশগুলিতে পাড়ি দেয়। ফলে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির দুর্ঘটনায় সলিলসমাধি হয়ে মৃতের তালিকায় বহু বাংলাদেশির নাম থাকে।

[আরও পড়ুন: বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বাংলাদেশে গ্রেপ্তার ২ সাংবাদিক]

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর উত্তর আফ্রিকা থেকে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপে পাড়ি দিতে গিয়ে মারা গিয়েছেন কমপক্ষে ৮৬৬ জন। গত এপ্রিলে তিউনিসিয়া উপকূলে নৌকা ডুবে মৃত্যু হয়েছে ৪০ জেনের বেশি মানুষ। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে কেউ কেউ নিজ দেশে গৃহযুদ্ধের শিকার হয়ে এবং অনেকে দারিদ্র্যের কবল থেকে মুক্তি পেতে এই বিপজ্জনক যাত্রায় শরিক হন। ইটালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসেব থেকে জানা যায়, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৯ হাজার ৮০০ জন ইটালি পৌঁছেছে। গত বছর এই ছিল মাত্র ৬,৭০০। ফলে দিনদিন অভিবাসীদের সংখ্যা বাড়ছেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.