১১ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  সোমবার ২৫ মে ২০২০ 

Advertisement

করোনার ছোবলে বিদেশে বসবাসকারী ৬০ বাংলাদেশির মৃত্যু, দেশে মৃতের সংখ্য়া ছয়

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: April 2, 2020 7:39 pm|    Updated: April 2, 2020 7:39 pm

An Images

ছবিটি প্রতীকী

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বিশ্বে ত্রাস ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। তার দাপটে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা অন্তত ৬০ জন বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর মিলেছে। সূত্রের খবর, ন’টি দেশ থেকে নতুন করে আরও ১০ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আর দেশের মধ্যে মৃতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ৬।

বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের মধ্যে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই করোনা ভাইরাসের বলি হয়েছেন ৩৮ জন। এই মুহূর্তে বিশ্বের COVID-19’এর অন্যতম ‘হটস্পট’ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ করোনার ছোবলে মৃত্যুর হিসেবটা সরকারিভাবে ছ’জন। বিদেশে করোনা ভাইরাসে এ পর্যন্ত ৬০ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি পাশাপাশি অন্তত কয়েকশো মানুষের আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ৩৮ জন ছাড়া ইংল্যান্ড ১১ জন, সৌদি আরবে ৩ জন, ইটালি ও কাতারে ২ জন করে, স্পেন, সুইডেন, লিবিয়া ও গাম্বিয়ায় ১ জন করে বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, অন্তত কয়েকশো বাংলাদেশি আক্রান্ত এই সব দেশগুলিতে। বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ মিশন, সেখানকার বাংলাদেশি সম্প্রদায় এবং নানা সূত্র থেকে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

[আরও পড়ুন: চিনের মতো ইঞ্জেকশন দিয়ে মেরে ফেলা হবে! গুজবে বাংলাদেশে রোগীশূন্য দুই হাসপাতাল]

তবে ঢাকায় বিদেশ মন্ত্রকের করোনা বিষয়ক সেলের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে এখনও পর্যন্ত সাত বাংলাদেশি মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ইটালি ও কাতারে দু’জন করে এবং সৌদি আরব, স্পেন ও সুইডেনে একজন করে করোনার বলি মোট সাতজন। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের করোনা বিষয়ক সেলের প্রধান ও অতিরিক্ত বিদেশ সচিব খলিলুর রহমান সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত মিশনের মাধ্যমে ওই সাতজনের মৃত্যুর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জেনেছি। কোনও দেশের সরকার মৃত ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের ব্যাপারে তথ্য জানালেই আমরা তা জানছি। তা নাহলে নিশ্চিতভাবে আমাদের পক্ষে তথ্য পাওয়াটা দুরূহ।’

আমেরিকা এবং ইংল্যান্ডে বাংলাদেশের কূটনীতিক ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ভরতির পর তাঁর স্বজনদের হাসপাতালে যাওয়া-আসার কোনও সুযোগ নেই। রোগী সুস্থ হলে অথবা রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের স্বজনদের খবর পাঠাচ্ছেন। আর ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কারণে এ নিয়ে ওই সব দেশের কর্তৃপক্ষ সহজে কোনও তথ্য দিচ্ছে না।

[আরও পড়ুন: প্রায়শ্চিত্তের চেষ্টা! করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি চিনের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement