৩০ চৈত্র  ১৪২৭  মঙ্গলবার ১৩ এপ্রিল ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

হেফাজতের সাত মামলায় কাঠগড়ায় সাড়ে ৮ হাজার, পরিস্থিতি সামলাতে কড়া শাসকদল

Published by: Sulaya Singha |    Posted: March 31, 2021 6:14 pm|    Updated: March 31, 2021 6:57 pm

An Images

ফাইল ছবি

সুকুমার সরকার, ঢাকা: শাসকদল আওয়ামি লিগ তাদের ১৪ দলীয় শরিকদের নিয়ে এবার কট্টরপন্থী ইসলামিক দল ‘হেফাজত ইসলাম’-এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা ঘোষণা করল। কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও আওয়ামি লিগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে ওই সভায় এই কড়া অবস্থানের কথা ঘোষণা করা হয়। তাদের কথায়, হেফাজতকে আর নৈরাজ্যের পরিস্থিতি সৃষ্টি করার সুযোগ দেওয়া হবে না। ১৪ দলের তরফে বলা হয়েছে, তারা সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে অরাজকতাকে কড়া হাতে দমন করবে।

গত ২৬ মার্চ ছিল মোদির (Narendra Modi) বাংলাদেশ (Bangladesh) সফর। করোনা মহামারীর পর প্রথম বিদেশ সফরে দেশে পা রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু মোদি সে দেশে পৌঁছনোর পর থেকেই বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে মৌলবাদী ও কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিমদের নির্যাতনে মদত দিচ্ছেন মোদি। চট্টগ্রামে বিক্ষোভকারীদের মিছিলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। পুলিশের গুলিতে ৪ জন মারা যায় বলে জানা গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত চলা হিংসাত্মক ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭ জন ও চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে তিনজন নিহত গিয়েছে। শহরের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতকর্মীরা। বাদ যায়নি মন্দির-শ্মশান, রেলস্টেশন ও প্রেসক্লাব পর্যন্ত। পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে তাদের দফায় দফায় সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অন্তত দু’জন হাসপাতালে মারা যায়। তার আগের দিন মৃত্যু হয়েছিল পাঁচজনের।

[আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণ রুখতে বাসে অর্ধেক যাত্রী, একলাফে ৬০% ভাড়া বাড়ল বাংলাদেশে]

এই উত্তপ্ত পরিবেশই কঠোর হাতে দমন করতে চাইছেন আমু। সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এই বিষয়গুলি ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। সরকারের আইন কঠিনভাবে তাদের উপর প্রয়োগ করতে হবে। রাজনীতিতে আজ যেটা শুরু হয়েছে, তা অশনি সংকেত। এটা বন্ধ করতে না পারলে, আমাদের সমস্ত শক্তি নিয়ে নামতে হবে। রাজনীতির লক্ষ্যে পৌঁছাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।”

হেফাজতের তাণ্ডব কাণ্ডে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর মডেল থানায় পাঁচটি ও আশুগঞ্জ থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই সাতটি মামলায় অভিযুক্ত অজ্ঞাতপরিচয় সাড়ে আট হাজার। এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দায়েরকৃত ৭টি মামলার মধ্যে পুলিশ সুপারের কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুটি, আনসার-ভিডিপির কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একটি, ইউনির্ভাসিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হামলার ঘটনায় একটি, শহরের মেড্ডা পীরবাড়ি এলাকায় হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় একটি এবং আশুগঞ্জ টোলপ্লাজায় হামলার ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

[আরও পড়ুন: ‘হিন্দু ও খ্রিস্টান মেয়েদের টার্গেট করছে আইসিস’, বিস্ফোরক অভিযোগ কেরলের বিজেপি নেতার]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement