×

৫ চৈত্র  ১৪২৫  বৃহস্পতিবার ২১ মার্চ ২০১৯   |   শুভ দোলযাত্রা।

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও #IPL12 ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ৫৪ বছর আগের স্মৃতি ফিরে পেলেন যশোর জেলা-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ। ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ চড়ে কলকাতা আসার স্বাদ পেলেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা থেকে ছেড়ে এসে দুপুর আড়াইটায় আন্তর্জাতিক এ ট্রেনটি যশোর স্টেশনে এসে থামে, প্রথমবারের মতো এ স্টেশনে তিন মিনিটের যাত্রা বিরতি দেয়। যশোর স্টেশন থেকে টিকিট নেওয়া প্রথম যাত্রী ফজলুল হক বলেন, ‘নিজ শহর থেকে ট্রেনে উঠে চার ঘণ্টায় সরাসরি কলকাতা যাচ্ছি, এটা সত্যিই অন্যরকম অনুভূতি। প্রথম ট্রেনের টিকিট কেটে, প্রথমদিন যাচ্ছি, এটা যেন কালের সাক্ষীর মতো, এ কারণে আরও বেশি ভাল লাগছে।’

১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বাধে। বন্ধ হয়ে যায় কলকাতা-খুলনা রেল চলাচল। ২০১৫ সালে ঢাকা সফরে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে অনেক বিষয়ের মধ্যে স্থান পায় কলকাতা-খুলনা রেল চলাচল। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর খুলনা-কলকাতা (চিৎপুর স্টেশন) রুটে ৪৫৬ আসনবিশিষ্ট ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার চালু হলেও যশোর কোনও স্টপেজ ছিল না। ওই সুযোগ এল বৃহস্পতিবার।

হিরো আলমকে শ্রীঘরে পাঠাল আদালত ]

এদিন ৩১ জন যাত্রী নিয়ে যশোর থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হয় ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টে ৫ মিনিটে যশোর স্টেশন থেকে রওনা হয় ট্রেনটি। এ সময় যাত্রীদের ফুলের শুভেচ্ছা ও মিষ্টিমুখ করান যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য প্রফেসর আবদুস সাত্তার, বাংলাদেশ-ভারত চেম্বার অব কমার্স ইন্ড্রাস্টির সভাপতি মোতিয়ার রহমান মোতি, যশোর রেল স্টেশন মাস্টার পুষ্পল কুমার চক্রবর্তী ও যাত্রী কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ। বন্ধন এক্সপ্রেসের যাত্রীরা জানান, বেনাপোল বন্দরের ভোগান্তির আজ থেকে অবসান হল। যানজট ছাড়া নির্বিঘ্নে যেতে পারায় খুশি তারা।

তবে যাত্রীদের অভিযোগ, ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে। তবে অনেকে এও বলেন, সবকিছুকে টাকার সঙ্গে তুলনা করে তো সুবিধা পাওয়া অসম্ভব। যেমন, যশোর শহর থেকে ভাঙাচোরা রাস্তায় বেনাপোল, এরপর দালালদের অত্যাচার, দুই দেশের কাস্টমস-ইমিগ্রেশনে বিশাল লাইন, ওপারে গিয়ে ছোট্ট ট্যাক্সিতে চেপে বনগাঁ, তারপর আবার সাধারণ ট্রেন ধরে কলকাতা যাওয়া আর সরাসরি এসি ট্রেনে কলকাতা পৌঁছানো এটাকে টাকা দিয়ে মেলানো কখনও সম্ভব না। বিশেষ করে বয়স্ক কিংবা রোগীদের ক্ষেত্রে এই ট্রেন একমাত্র অবলম্বন বলা যেতে পারে। এছাড়া সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এখানে ট্রেন সার্বিক চালু রাখার দাবি জানান তাঁরা। এখন প্রতি বৃহস্পতিবার যশোর রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে যাবে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’। এর এসি চেয়ার ভাড়া ১৫০০ টাকা ও এসি কেবিন ২০০০ টাকা। যশোর স্টেশনের জন্য ২০০ সিট নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাতাসে বিষ! দূষণ তালিকায় দিল্লির পরই স্থান ঢাকার   ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং