Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Chandranath Rath

চন্দ্রনাথ রথ খুনে নয়া মোড়, আত্মসমর্পণ উত্তরপ্রদেশের ‘গ্যাংস্টার’ মনুর

অভিযুক্ত জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং ওরফে মনু দীর্ঘদিন ধরে নানা অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত। চন্দ্রনাথ রথ খুন ছাড়াও তার বিরুদ্ধে কমপক্ষে ১২টি মামলা রয়েছে। জ্ঞানেন্দ্রর স্ত্রীর দাবি, "আমাদের স্বামীকে ফাঁসানো হচ্ছে। সিবিআই এবং আইনের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে।"

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৪:১৫

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৪:১৫

options
link
চন্দ্রনাথ রথ খুনে নয়া মোড়, আত্মসমর্পণ উত্তরপ্রদেশের ‘গ্যাংস্টার’ মনুর zoom
চন্দ্রনাথ খুনে গ্রেপ্তার উত্তরপ্রদেশের 'গ্যাংস্টার'। ফাইল ছবি

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনে অভিযুক্তের আত্মসমর্পণ। উত্তরপ্রদেশে বালিয়ার আদালতে আত্মসমর্পণ করে সে। অভিযুক্ত জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং ওরফে মনুকে ১৪ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং ওরফে মনু দীর্ঘদিন ধরে নানা অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত। চন্দ্রনাথ রথ খুন ছাড়াও তার বিরুদ্ধে কমপক্ষে ১২টি মামলা রয়েছে। গত ২৫ মে থেকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এদিকে, চন্দ্রনাথ রথ খুনে সিসিটিভি ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করা হয়। ওই ফুটেজে জ্ঞানেন্দ্রকে দেখা যায়। একাধিকবার তদন্তকারী আধিকারিকরা তার বাড়িতে হানা দেয়। পরিবারের সদস্যদের জেরাও করা হয়। তার ফলে চাপে পড়ে যায় জ্ঞানেন্দ্র। এরপরই আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত অভিযুক্ত। জ্ঞানেন্দ্রর স্ত্রীর দাবি, “আমাদের স্বামীকে ফাঁসানো হচ্ছে। সিবিআই এবং আইনের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস রয়েছে।”

Advertisement

উল্লেখ্য, গত ৬ মে, বুধবার রাতে নিজাম প্যালেস থেকে বেরিয়ে ফিরছিলেন শুভেন্দুর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। তাঁকে পিছু ধাওয়া করে মধ্যমগ্রামে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালানো হয়। মাত্র ৫০ সেকেন্ডের ‘অপারেশনে’ খুন আপ্ত সহায়ক। জখম চন্দ্রনাথের গাড়িচালক। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, চন্দ্রনাথের গাড়ি অনুসরণ করেই হামলা চালানো হয়েছে। অপরাধের ধরন দেখে অনুমান, দীর্ঘদিন রেকির পর এই অপরাধ করা হয়েছে। ভিনরাজ্যের পেশাদার খুনি বা শার্প শুটার দিয়ে ঘটানো হয়। এই ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় দুষ্কৃতী যোগের সম্ভাবনাও রয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, খুনের পর অলিগলি দিয়েই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। এলাকায় পরিচিত কেউ জড়িত না থাকলে তা সম্ভব নয় বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। ধরপাকড়ও করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। তবে কেন শুভেন্দুর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ককে খুন হতে হল, তা নিয়ে এখনও ধন্দে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.