৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ঢাকায় ক্রমশ বাড়ছে ডেঙ্গি রোগীর সংখ্যা। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আক্রান্ত হচ্ছেন স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষরাও। রবিবার রাতে এর জেরে মৃত্যু হল হবিগঞ্জের সিভিল সার্জেন ডাঃ মহম্মদ শাহাদৎ হোসেন হাজরার। রবিবার রাত সোয়া ১০টা নাগাদ ঢাকার শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

[আরও পড়ুন- সংখ্যালঘু নির্যাতন ইস্যুতে প্রিয়ার পাশে দাঁড়ালেন তসলিমা ]

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসে এ পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় সাড়ে চার হাজারে। তার মধ্যে গত ২১ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন চার হাজার ৪৩৩ জন। এ হিসেবে প্রতিদিন গড়ে আক্রান্ত হয়েছে ২১২ জন করে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৮৫ জনের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ হিসেবে প্রতি ঘণ্টায় ১২ জন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে। এর ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে অনেকের আশঙ্কা।

যদিও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ হোসেন খোকন ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বিভিন্ন সভা-সেমিনারে বলছেন, ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণেই আছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেরও একই বক্তব্য। কিন্তু, প্রতিদিনই মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে ভরতি হচ্ছে হাসপাতালে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ এমারজেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্যানুযায়ী, এ পর্যন্ত ছয় হাজার ৪৮৯ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালে তিন হাজার ৩৪৮ জনের চিকিৎসা হয়েছে। আর সরকারি হাসপাতাল মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট চার হাজার ৯৪১ জন চিকিৎসা করিয়েছেন। এক হাজার ৫৪৩ জন এখনও হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন।

[আরও পড়ুন- বাংলাদেশে ছেলেধরা সন্দেহে গণপ্রহারে মৃত মহিলা-সহ পাঁচ, প্রহৃত আরও ৩১]

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, এখন পর্যন্ত ডেঙ্গি জ্বরে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু, বেসরকারি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। তাদের মধ্যে ন’জন শিশুও রয়েছে। তবে হেলথ এমারজেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে থাকা সহকারী পরিচালক ডা: আয়েশা আক্তার বলছেন, ডেঙ্গি আক্রান্ত কেউ ভরতি হলে সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে তা অবহিত করতে বলা হয়েছে। এই সংক্রান্ত চিঠি ঢাকার সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। তাই সংখ্যা নিয়ে গরমিল হওয়ার সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং