BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

ফাঁসির দড়িতে ঝুলল বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদ, অপরাধীর শাস্তিতে বাংলাদেশে খুশির হাওয়া

Published by: Sayani Sen |    Posted: April 12, 2020 8:13 am|    Updated: April 12, 2020 8:44 am

An Images

ফাইল ফটো

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের (Sheikh Mujibur Rahman) জন্মশতবর্ষ পালন করছে বাংলাদেশ। তারই মাঝে ফাঁসির সাজা কার্যকর হল তাঁর খুনি আবদুল মাজেদের। শনিবার স্থানীয় সময় ঠিক রাত ১২ টা ১ মিনিটে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয় তাকে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর হল। বঙ্গবন্ধুর খুনির ফাঁসি হওয়ায় বাংলাদেশে খুশির হাওয়া।

মাজেদের ফাঁসি কার্যকর হবে বলে কারা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মোস্তফা কামাল পাশা এবং ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুব আলম নিশ্চিত করেছিলেন। শনিবার দুপুরে কেরানিগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির মহড়া করে জল্লাদরা। বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদের ফাঁসি কার্যকর করতে জল্লাদ শাহজাহানের নেতৃত্বে মহম্মদ আবুল, তরিকুল ও সোহেল-সহ ১০ জন জল্লাদের একটি দল তৈরি করে ঢাকা জেল কর্তৃপক্ষ। নতুন নির্মিত কেরানিগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে এই প্রথম কোনও দোষীর ফাঁসি কার্যকর হল। ফাঁসির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগে আবদুল মাজেদের সঙ্গে শুক্রবার সন্ধেয় কেন্দ্রীয় কারাগারে পরিবারের ৫ সদস্য সাক্ষাৎ করে। ছিলেন মাজেদের স্ত্রী, শ্যালক ও কাকা শ্বশুর-সহ ৫ জন।

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বাড়ছে করোনা মহামারির প্রকোপ, একদিনে মৃত ৬]

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বাদে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে খুন হন। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি সৈয়দ ফারুক রহমান, বজলুল হুদা, এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ, সুলতান শাহরিয়ার রশীদ খান ও মহিউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। রায় কার্যকরের আগেই ২০০১ সালের জুনে জিম্বাবোয়েতে মারা যান আজিজ পাশা। পলাতক খন্দকার আবদুর রশিদ, নূর চৌধুরি, রাশেদ চৌধুরি, শরিফুল হক ডালিম ও মোসলেহ উদ্দিন।

গত ৬ এপ্রিল মধ্যরাতে ঢাকার গাবতলী এলাকা থেকে মাজেদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (CTTC) ইউনিট। পরে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (CMM) আদালতে হাজির করে সিটিটিসি। এরপরই মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। গত ৮ এপ্রিল মৃত্যুর পরোয়ানা পড়ে শোনানোর পর সব দোষ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানায় আবদুল মাজেদ। কিন্তু, সঙ্গে সঙ্গে তা নাকচ করে দেন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদ। এরপরই ফাঁসি কার্যকর হয় মাজেদের। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর হল।

[আরও পড়ুন: জুম্মার নমাজে লোকসমাগম বেশি হওয়ার জেরে মারামারি, বাংলাদেশে জখম ৭]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement