৫ ফাল্গুন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ফের নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে বাংলাদেশে নিকেশ এক রোহিঙ্গা মাদক পাচারকারী। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোরায় নাফ নদীর ধারে সংঘর্ষে নিকেশ হয় বছর পঁচিশের ওই পাচারকারী।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাস্থল থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি বন্দুক ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। পাচারকারীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে আহত হয়েছেন মহম্মদ নুরুল আমিন ও মহম্মদ শাহিনুর ইসলাম নামের দুই বিজিবি জওয়ান। টেকনাফ ২ বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, উপজেলার হ্নীলার ইউনিয়নের জাদিমোরা এলাকায় নাফ নদী দিয়ে একটি ইয়াবার বড় চালান বাংলাদেশে পাচার করা হবে বলে আগেই খবর দিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। সেইমতো জাদিমোরা মসজিদের পাশের কেওড়াবাগানে ফাঁদ পাতে বিজিবি। গভীর রাতে ওই এলাকা দিয়ে কয়েকজন ব্যক্তিকে বস্তা মাথায় হেঁটে যেতে দেখে তাঁদের থামতে বলা হয়। কিন্তু তাঁরা পালানোর চেষ্টা চালায়। পাশাপাশি জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে সন্দেহভাজনরা। তারপরই গুলির লড়াইয়ে খতম হয় এক রোহিঙ্গা পাচারকারী। নিহত যুবক উখিয়া উপজেলার থাইংখালী রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা।

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টেকনাফের ১০২ জন ইয়াবা পাচারকারী আত্মসমর্পণ করে।তারপর মনে করা হয় যে এবার মাদক পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য থামবে। তবে বাস্তবে তেমন কিছুই ঘটেনি। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের একটা বড় অংশ এই পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, শুধু বাংলাদেশ নয়। কলকাতা শহরের নাইট ক্লাব, বুজ পার্টিতে বিস্তর চাহিদা এই মাদকের। মাত্র ১৫০ টাকা একটি ট্যাবলেটের দাম। ওই কটি টাকা ফেললেই আসবে অন্য জগতের হাতছানি। মুহূর্তে পাড়ি দেওয়া যাবে ‘জন্নতে’। লোপ পাবে সমস্ত উদ্বেগ। এক অদ্ভুত অনাবিল প্রশান্তি নেমে আসবে মনে। 

[আরও পড়ুন: ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে মাদক পাচার! সক্রিয় ভূমিকায় রোহিঙ্গারা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং