Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

হাসিনা ‘কাঁটা’ সরিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গলছে বরফ! তারেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ ত্রিবেদীর

বাংলাদেশের ভারতীয় হাইকমিশনার নিযুক্ত হওয়ার পর প্রথমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন দীনেশ ত্রিবেদী।

সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৫:৩৬

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৬, ১৫:৩৬

options
link
হাসিনা ‘কাঁটা’ সরিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গলছে বরফ! তারেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ ত্রিবেদীর zoom
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর। ঢাকার সচিবালয়, সোমবার, ১০ আগস্ট। নিজস্ব ছবি
Advertisement

শেখ হাসিনা-সহ একাধিক ইস্যুতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জটিলতার মধ্যে। ঢাকায় পালাবদল হওয়ার পর কবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ফের মসৃণ হবে? তার অপেক্ষায় দু’দেশের কূটনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ। সেই আশার আলোই জ্বলল সোমবার। ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সচিবালয়ে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। পরস্পরের হাতে হাত রেখে দু’জনকে হাসিমুখে কথা বলতে দেখা গেল। আলোচনার মাধ্যমে ঢাকা-নয়াদিল্লির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মসৃণ করার লক্ষ্য নিয়েই ত্রিবেদীর এই সাক্ষাৎ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

পদ্মার এপার-ওপারের মধ্যে সহজ-সরল সম্পর্কে বরফ জমাট বেঁধেছে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের পর। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর। সেই পরিস্থিতি জটিলতর হল গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভারচুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর। স্বদেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে তাঁর জোরালো ঘোষণার পর বাংলাদেশে গুঞ্জন, ফিসফাস শুরু হয়েছে। হাসিনা ‘কাঁটা’ বিঁধছে তারেক রহমান সরকারকে। এছাড়া আরও বেশ কিছু ইস্যু রয়েছে দু’দেশের মধ্যে। বাংলায় রাজ্য সরকার বদলের পর বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ‘পুশব্যাক’ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সীমান্তের এই অশান্তকর পরিস্থিতি ভালোভাবে গ্রহণ করেনি ঢাকা। এখনও ওইসব বাসিন্দাদের নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি ঢাকা।

Advertisement

এছাড়া ইউনুসের আমলে বাংলাদেশে যে সংখ্যালঘু অত্যাচারের ভূরি ভূরি অভিযোগ উঠেছিল, তার তেমন সমাধান এখনও করে উঠতে পারেনি তারেক রহমানের সরকার। বছর দুই আগে যে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনের ঢেউ উঠেছিল, তা আসলে ভারত বিরোধিতা। এখনও বাংলাদেশে সেই পরিবেশ পুরোপুরি মুছে যায়নি। গত মার্চে প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার পর বিএনপির তারেক রহমান চিনকে যতটা গুরুত্ব দিয়েছিলেন, নয়াদিল্লিকে তার ছিটেফোঁটাও দেননি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ছাড়া তাঁর উপায় নেই। সেই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে সোমবার তাঁর সাক্ষাৎ।

এদিন তারেকের সঙ্গে দেখা করার আগে দীনেশ ত্রিবেদী এক বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘‘সমস্যার সমাধান হয় যখন আমরা কথাবার্তা বলি। আমার পুরো বিশ্বাস, সমাধান হবে। এখানে কোনও নেতিবাচক বিষয় নেই। সব ইতিবাচক।” এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তারও বক্তব্য, ‘‘বাংলাদেশ আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আগ্রহী। সম্পর্ক ইতিবাচক পথে ফেরাতে এটাই পথ। পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা আর স্বার্থ সমুন্নত রেখে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে হবে।” আজ তারেক-ত্রিবেদীর বৈঠক সে পথেই একধাপ এগোল বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.