২৪ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  রবিবার ৭ জুন ২০২০ 

Advertisement

পুলিশি অভিযানে বাজেয়াপ্ত ইলিশেই ভুরিভোজ বাংলাদেশের অনাথ আশ্রমে

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: October 22, 2019 11:37 am|    Updated: October 22, 2019 11:52 am

An Images

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ইলিশ শিকার নিষিদ্ধ করা হলেও আটকানো যাচ্ছে না মৎসজীবীদের। ফলে সরকারি নির্দেশ বলবৎ করতে বাংলাদশে চলছে ব্যাপক ধরপাকড়। সোমবার ইলিশ শিকারের অভিযোগে অন্তত ২০০ জন মৎস্যজীবীকে আটক করেছে পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ২ হাজার কিলোগ্রাম ইলিশ। সেই মাছ দেশের অনাথ আশ্রমে বিতরণ করেছে প্রশাসন।

পুলিশ সূত্রে খবর, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৩৮, ৮৩,৭৬৩ মিটার জাল, ৬টি নৌকা বাজেয়াপ্ত করা হয়ছে। রাদেশে নৌ-পুলিশের ১১৬টি থানা এবং কেন্দ্রে অভিযান চলছে। আগামীদিনেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। তবে ধৃতদের কয়েকজনকে ছাড়া অধিকাংশকেই মুচলেকা ও জরিমানা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ৯ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই সময় সারা দেশে ইলিশ শিকার, পরিবহণ, মজুত ও কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এর অন্যথা হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবীদের পাশে সরকার দাঁড়াবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রধানত আশ্বিনের পূর্ণিমার চার দিন আগে এবং পূর্ণিমার পর ১৮ দিন পর্যন্ত সময়ে মা ইলিশ ডিম পাড়ে। গত কয়েক বছর এই মরশুমে মাছ ধরায় বিধিনিষেধের ফলে বাংলাদেশে ইলিশ মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে বলে প্রশাসের দাবি। পরিসংখ্যান বলছে, গত ১০ বছরে বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন ৭৮ শতাংশ বেড়েছে। ফলে এখন দেশের শতাধিক উপজেলার নদীতে তা পাওয়া যাচ্ছে। চাঁদপুর জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে খবর, জেলার মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলায় ৫১ হাজার ১৯০ জন মৎস্যজীবী ইলিশ শিকার করেন৷ এসব জেলেরা ২২ দিন যাতে নদীতে মাছ শিকার না করা হয়, সে জন্য ইতিমধ্যে মাইকিং ও তাঁদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করে সচেতন করা হয়েছে৷ মৎস্য আড়ত এলাকায় জেলা মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যানার টাঙানো হয়েছে।

[আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ‘যুদ্ধের কবর’, খোঁজ মিলল ডুবে যাওয়া জাপানি রণতরী অকাগি’র]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement