Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা, কড়া নজরদারি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে

বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করছে জেহাদিরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮, ১৮:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮, ১৮:৩৩

options
link
বাংলাদেশে নির্বাচন ঘিরে সতর্কতা, কড়া নজরদারি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বাড়ানো হয়েছে সতর্কতা। কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলিতে। আগেই রোহিঙ্গাদের জঙ্গিযোগ ও নির্বাচন চলাকালীন জঙ্গি হামলার সতর্কবার্তা জারি করেছে গোয়েন্দা বিভাগ। 

[বাংলাদেশ নির্বাচনে জামাত যোগ, ৪৭ জনের প্রার্থীপদে আপত্তি আমেরিকার]

Advertisement

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মহম্মদ আবুল কালাম জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নির্বাচনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে ব্যবহার করা হতে পারে। ফলে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শরণার্থী শিবিরে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে শুধু চিকিৎসা ছাড়া অন্য কোনও কারণে আশ্রয় শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের বের হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে প্রশাসন। রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে আগে আনসার বাহিনী নিয়োজিত থাকলেও এখন পুলিশ, র‌্যাব এমনকি বিজিবিও টহল দিচ্ছে। টেকনাফের এক জনপ্রতিনিধি জানান, এর আগে স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দিতে এসে কয়েকজন রোহিঙ্গা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিল। নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত অফিসার আবদুর রব জানান, প্রতিদিন রোহিঙ্গা শিবিরে যৌথবাহিনীর তিনটি দল টহল দিচ্ছে। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলিতেও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনে নির্বাচনের সময় ক্যাম্প থেকে কোনও রোহিঙ্গাকে বের হতে দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রভাব বিস্তার করছে জেহাদিরা, আগেই এমনটা জানিয়েছিল সে দেশের গোয়েন্দা বিভাগ। এদিকে বিএনপি-আইএসআই আঁতাঁতে নাশকতার আশঙ্কাও রয়েছে শাসক শিবিরে। তাই রোহিঙ্গা শিবিরে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা বলেই মনে করা হচ্ছে। চলতি মাসের ৩০ তারিখ ভোটযুদ্ধ বাংলাদেশে। ইতিমধ্যেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছে শাসক আওয়ামি লিগ ও বিরোধী বিএনপি শিবির৷ ২৪০টি আসনে নিজেদের প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামি লিগ৷ বাকি ৬০টি আসন শরিকদের জন্য ছেড়েছে শেখ হাসিনার দল৷ পিছিয়ে নেই বিএনপিও৷ তারাও ২০৬ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে৷ বাকি আসন ছেড়েছে জোট শরিকদের জন্য৷ আওয়ামি লিগ চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার অনুমোদিত ৩০০ জন প্রার্থীর নামের তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেয় এইচটি ইমামের নেতৃত্বাধীন বিশেষ প্রতিনিধি দল৷

[সন্ত্রাসবিরোধী চলচ্চিত্রের নায়ক-পরিচালককে হত্যার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ২]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.