Advertisement
Advertisement
Bangladesh

ব্যক্তিগতভাবে বৈদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহারে ছাড়পত্র মিলতে চলেছে বাংলাদেশে, তৈরি হচ্ছে নয়া পলিসি

সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষা।

Bangladesh will soon import electric cars for using personally, policy making is underway | Sangbad Pratidin
Published by: Sucheta Sengupta
  • Posted:September 16, 2021 4:02 pm
  • Updated:September 16, 2021 4:02 pm

সুকুমার সরকার, ঢাকা: এবার বৈদ্যুতিক গাড়ি (Electric Car)আমদানির পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। তৈরি হচ্ছে নতুন পলিসি (Policy)। এ নিয়ে বাংলাদেশের (Bangladesh) মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরই শুরু হয়ে যাবে আমদানি। ব্যক্তিগতভাবে যে কেউ ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এমনই জানানো হয়েছে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিভাগ। নয়া নীতি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

শুধু বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানি (Import)করলেই হবে না, সেসব যানবাহন চার্জ করার জন্য নীতি নিয়েও কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। কর্মকর্তাদের কথায়, নীতিমালা চূড়ান্ত হলেই মোটরযান আমদানি শুরু হবে বলে আশা করছেন তাঁরা। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে বিদ্যুৎচালিত যান – ইজিবাইকের সংখ্যা প্রচুর। এর বাইরে প্রাইভেট কার-সহ অন্য যানবাহনগুলি কবে থেকে আমদানি শুরু হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি।

Advertisement

[আরও পডুন: বাংলাদেশের মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ ৩ ছাত্রী, রহস্য উদঘাটনে তৎপর পুলিশ]

বাংলাদেশের সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ। এই বিভাগেরই অতিরিক্ত সচিব ইউছুব আলি মোল্লা। তিনি জানিয়েছেন, বুধবার বিদ্যুৎচালিত যানবাহন সংক্রান্ত পলিসি চূড়ান্ত করতে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন। একজন যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে আরও একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। খসড়া নীতিমালা পর্যালোচনা করে সাতদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে। ইউছুব আলি মোল্লা আরও জানিয়েছেন, “রিপোর্ট পাওয়ার পর আবার আলোচনা হবে, মন্ত্রণালয়ের মতামত নিতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে আলোচনা করতে হবে। এসব ধাপ পেরনোর পর নীতিমালা চূড়ান্ত করে আমরা মন্ত্রণালয়ে দিতে পারব। এতে কিছুটা সময় লাগবে”।

Advertisement

[আরও পডুন: বিবাহিত যুবকের সঙ্গে প্রেম-বিয়ে, মর্মান্তিক পরিণতি সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর]

প্রসঙ্গত, সারা দেশে অবৈধভাবে চলা বিদ্যুৎ চালিত যানবাহন, বিশেষ করে ইজিবাইককে শৃঙ্খলায় আনতে প্রায় দু’বছর আগে এই সংক্রান্ত পলিসির খসড়া তৈরি হয়েছিল। সেই কাজ করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ বা বিআরটিএ। এবার সেই খসড়ার উপর ভিত্তি করেই শুরু হল নয়া নীতি নিয়ে আলোচনা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ