৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুকুমার সরকার, ঢাকা: নরেন্দ্র মোদির জয়ের ফলে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের শাসকদল আওয়ামি লিগ। নেতারা বলছেন, মোদির জয়ের ফলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসস্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। এপ্রসঙ্গে আওয়ামি লিগ নেতা মহম্মদ নাসিম বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুসম্পর্ক রয়েছে। উভয়দেশ অনেক ক্ষেত্রেই একে-অপরকে সহযোগিতা করছে। এই জয়ের ফলে সেই সুসম্পর্ক আরও দৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ হবে।”

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল ফারুক খান বলেন, “মোদির আমলে যেসব ইস্যুর সমাধান হয়েছে, তার অনেকগুলোর আলোচনা কংগ্রেস আমলে শুরু হয়েছিল। কাজেই এটা বলতে হবে যে বিজেপি সরকারের সঙ্গেও আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে। তিস্তা জল চুক্তির ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপত্তি করেছিলেন। কিন্তু, এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি শক্তিশালী হয়েছে। যার ফলে তিস্তা চুক্তিতে সুবিধা পাওয়া যাবে।”

[আরও পড়ুন- রাজনীতির ইতিহাসে দৃষ্টান্ত, মোদিকে শুভেচ্ছাবার্তায় বলল বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলি]

ঐক্যফ্রন্টের চেয়ারম্যান ও বঙ্গবন্ধু সরকারের বিদেশমন্ত্রী ড. কামাল বলেন, “ভারতের জনগণের কাছ থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য শক্তিশালী ম্যানডেট পাওয়া একটা বড় পাওনা। ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় ভূমিকায় বাংলাদেশ উৎসাহিত হবে। সামাজিক সুবিচার, গণতন্ত্র, সহনশীলতা, শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় একই লক্ষ্য থাকায় দু’দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।”

[আরও পড়ুন-মোদিকে অভিনন্দন বার্তা হাসিনার, অমীমাংসিত বিষয়ে সুরাহার আশা]

বিএনপি-র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরি বলেন, “এর ফলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও ভাল হবে বলেই আশা করছেন বাংলাদেশের নাগরিকরা। দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা ও পরস্পরের প্রতি সম্মানজনক অবস্থান থেকে আরও দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে উঠবে।” বিএনপি-র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নওশাদ জমির বলেন, “ভারতীয়রা ভাগ্যবান। কারণ সেখানে গণতন্ত্র রয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর হয়। ভারতের জন্য বাংলাদেশ ও বিএনপি সবসময় বন্ধু ছিল। আগামী দিনেও থাকবে।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং