Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

নাক গলানো নাপসন্দ, ১৩ দেশের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া বার্তা বাংলাদেশের

নির্বাচনী হিংসা তথা হিরো আলমের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই বাদানুবাদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৩, ০৯:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৩, ০৯:৩৫

options
link
নাক গলানো নাপসন্দ, ১৩ দেশের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে কড়া বার্তা বাংলাদেশের zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে নাক গলানো নাপসন্দ। তেরোটি দেশের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এমনটাই বার্তা দিল বাংলাদেশ। নির্বাচনী হিংসা তথা হিরো আলমের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই বাদানুবাদ বলে খবর।

কয়েকদিন আগেই ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়াও কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, ব্রিটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ও হাইকমিশন বিবৃতি দিয়েছিল। এছাড়া, উপনির্বাচনের পরেরদিন হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে টুইট করেছিলেন বাংলাদেশে রাষ্ট্রসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইস।

Advertisement

গতকাল, বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ১৩ দেশের রাষ্ট্রদূতদের তলব করা হয়। ওই বৈঠক নিয়ে ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী মহম্মদ শাহরিয়ার আলম। বিদেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গত ১৭ জুলাই ঢাকা-১৭ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলমকে (হিরো আলম) কেন্দ্র করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে কূটনৈতিক রীতি ভঙ্গ করে ঢাকায় যে সকল দেশের দূতাবাস সংবাদমাধ্যমে যৌথ বিবৃতি দিয়েছিল তাদের তলব করা হয়।

[আরও পড়ুন: মাকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন! বাংলাদেশে পুলিশের সামনে ‘আত্মহত্যা’ কিশোরীর]

শাহরিয়ার আলম বলেন, “তাদের ডেকে কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণে আমরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছি। আমরা বলেছি এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, যা দিয়ে সারা দিনের শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনকে মূল্যায়ন করা ঠিক হবে না।” তিনি আরও বলেন, “হিরো আলম সতীর্থদের সঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রে অবাধে বিচরণ করে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন। ভোট শেষ হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনিও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হননি বা কোনও অভিযোগ করেননি। অন্য প্রার্থীরাও কোনও ধরণের হিংসা বা অন্য কোনও অনিয়মের অভিযোগ করেননি। তাই কেবল একটি কেন্দ্রের শেষ মুহূর্তের একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাটি গুটি কয়েক কূটনীতিক যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তা কখনওই গোটা দিনের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে প্রতিফলিত করে না। দ্রুত একটি প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তারা তাদের মূল্যায়নটির বস্তুনিষ্ঠতার প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেননি। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পরও এই কূটনীতিকরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যা অযাচিত ও অপ্রয়োজনীয়।”

[আরও পড়ুন: চাল রপ্তানিতে না ভারতের, প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.