৬ ভাদ্র  ১৪২৬  শনিবার ২৪ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৬ ভাদ্র  ১৪২৬  শনিবার ২৪ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সুকুমার সরকারঢাকা: মাথায় ৫ বছরের কারাবাসের খাঁড়া। তার উপর আরও একগুচ্ছ দুর্নীতি মামলা। এমন সব কেলেঙ্কারিতে জেরবার নেত্রীকে এখন দলও আর চাইছে না। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া, তাঁর পুত্র তারেক রহমানকে দল থেকে বাদ দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হল। বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া আর তার পুত্র তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট।কাউন্সিল ডেকে দলের এই বর্তমান নেতৃত্বে পরিবর্তন আনার পক্ষে প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশারফ হোসেন এবং মওদুদ আহমেদ৷ 

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মতে, দলে যারা ব্যর্থ বলে পরিচিত হয়েছেন তাঁদের উচিত পদ ছেড়ে তরুণদের জন্য জায়গা করে দেওয়া। শনিবার সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে আলোচনা সভায় এই প্রস্তাব দেন ডক্টর খন্দকার মোশারফ হোসেন ও মওদুদ আহমদ। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জেনারেল ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৩ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভা ছিল। খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেন, ‘ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের নেতৃত্বে আনতে হবে। আমরা যাঁরা ব্যর্থ বলে পরিচিত হয়েছি, তাঁদের পদ ছেড়ে দিতে হবে। তরুণদের নেতৃত্বে আনলেই ঘুরে দাঁড়াতে পারবে বিএনপি। যাঁরা প্রার্থী ছিলেন, তাঁদের নিজ নিজ এলাকার নেতা,কর্মীদের মামলা থেকে রেহাই এবং জেল মুক্ত করতে হবে।  যেসব এলাকায় আমাদের প্রার্থী ছিল না, সেখানে দলের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন দিতে হবে।’ স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, ‘দরকার হলে আমাদের যাদের বয়স হয়ে গেছে, আমরা সরে যাব। কিন্তু তারপরেও এই দলটাকে রাখতে হবে। যাঁরা দুঃসময়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যাঁরা দলের জন্য কাজ করেছেন,  তাঁদের সামনের সারিতে এনে দলকে পুনর্গঠন করতে হবে।’ 

                                   [‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল হোতা’, গলায় চিরকুট-সহ দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য]

গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়ে পড়েছে বিএনপি। জনসমর্থন তলানিতে ঠেকেছে। শক্ত ঘাঁটিগুলোতে শোচনীয় ফল। কারণ হিসেবে উঠে আসছে বিএনপি নেত্রী তথা দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাবন্দি হওয়া। অনেকেই মনে করছেন, নেত্রী ভোট ময়দানে নামলে ফলাফল অন্যরকম হত। ইদানীং হয়তো দলও বুঝতে পারছে খালেদা এবং তাঁর পুত্রের নামে আর বিশেষ কাজ হবে না। তাই হয়তো এভাবে ছেঁটে ফেলার প্রক্রিয়া বলে মনে করা হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং