Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bangladesh

বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে উত্তেজনা, বাংলাদেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১

রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁ

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২২, ০৮:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২২, ০৮:৫৭

options
link
বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে উত্তেজনা, বাংলাদেশে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১ zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ১০ ডিসেম্বর বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। আশঙ্কা সত্যি করে বিরোধী দলটির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে বলে খবর।

জানা গিয়েছে, বুধবার রাজধানী ঢাকার (Dhaka) নয়াপল্টনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে। ওই ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নাম মকবুল আহমেদ। বিএনপি চেয়ারপার্সন বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাসকে নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বুধবার বিকালে নয়াপল্টনে সংঘর্ষের ঘটনা চলাকালীনই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিএনপি দাবি করেছে, রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দলের অন্তত ২০ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে জেহাদ, বিবিসির ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় বাংলাদেশের সানজিদা]

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন পুলিশ সেই ব্যবস্থা নিয়েছে। আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে জনগণের নিরাপত্তা। জনতার সুরক্ষা নিশ্চ্ত করার জন্য ও নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং করে যাব।” এ পর্যন্ত কতজনকে আটক করা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, “এই মুহূর্তে আমরা অ্যাকশন মোডে আছি, অ্যাকশন মোডে থাকার সময় এ ধরনের কথা বলা যাবে না।” এদিকে সংঘর্ষের মধ্যেই দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির।

উল্লেখ্য, আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে বুধবার সকাল থেকে নয়াপল্টনে জড়ো হতে থাকেন রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলের নেতাকর্মীরা। সকালে থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দুপুর তিনটা ১০ মিনিটে বিএনপির নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করতে থাকে। একপর্যায়ে বিএনপি কর্মীরাও পুলিশের ওপরে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, বেলা সাড়ে চারটা পর্যন্ত নয়াপল্টনের সংঘর্ষে জখম আটজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলে আনা হয়। ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে বিকেল চারটায় ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দা সুমাইয়া জানান, “১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ উপলক্ষে বিভিন্ন জায়গা থেকে আমরা এসেছি। নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মিছিল করছিলাম। পুলিশ অতর্কিতভাবে দুই দিক থেকে আমাদের ওপর হামলা করে। ছররা গুলি ও কাঁদানের গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে বেশ কয়েকজন জখম হন। এখন আমাদের যাকে যেখানে পাচ্ছে, পুলিশ তুলে নিয়ে যায়।”

[আরও পড়ুন: বাতাসে বিষ! বাংলাদেশে প্রতিবছর দূষণ কেড়ে নেয় ৮০ হাজার মানুষের প্রাণ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.