সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাতভর পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানের জন্য খাটাখাটনি করেছেন ছাত্ররা। সকালে জলখাবারের জন্য তাই তাঁদের দেওয়া হল গোমাংস যুক্ত খাবার। তাও খোদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিন থেকেই। এই অভিযোগেই বিতাড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিন মালিক।
[ এবার পাড়ার মুদির দোকানে মাত্র ১০ টাকায় মিলবে হাই স্পিড ডেটা ]
জানা যাচ্ছে, ওই ক্যান্টিন মালিকের নাম জাকির হোসেন। তিনি আসলে ক্যান্টিনের লিজ হোল্ডার। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা তাঁর ক্যান্টিন থেকেই এতদিন খাওয়া-দাওয়া করতেন। মঙ্গল শোভাযাত্রার জন্য রাতভর কাজ করেন পড়ুয়ারা। জলখাবারের জন্য ক্যান্টিনে অর্ডার দেন। তখনই তাঁদের দেওয়া হয় তেহরি নামে এক বিশেষ খাবার। এ খাবার গোমাংস দিয়েই তৈরি হয়। খবর চাউর হবার পরই বিতাড়িত করা হয়েছে হোসেনকে।
[ ‘আজান’-এর সময় মাইকের ব্যবহারে শব্দদূষণ, দাবি হিন্দু সংগঠনের ]
প্রশ্ন উঠছে, কেন তিনি হিন্দু ছাত্রদের গোমাংস খাওয়ালেন? দীর্ঘদিন ক্যান্টিন চালাচ্ছেন তিনি। সুতরাং হিন্দু ছাত্ররা যে গোমাংস খান না, এ কথা তাঁর অজানা নয়। তা সত্ত্বেও এ কাজ কেন করা হল? তেহারি তৈরির কথা তিনি স্বীকার করেছেন। তবে অভিযোগের উত্তরে ষড়যন্ত্রের পাল্টা অভিযোগ এনেছেন ওই ক্যান্টিন মালিক।তিনি আঙুল তুলেছেন বাংলাদেশের এক ছাত্রনেতার দিকে। তাঁর দাবি, ওই ছাত্রনেতাই তেহারি তৈরির অর্ডার দিয়েছিলেন। তিনিই তা বাকি পড়ুয়াদের খাওয়ান। বিশেষ চাঁদা না দেওয়ায় হোসেনের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতেই তাঁর বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে দাবি ওই ক্যান্টিন মালিকে। যদিও কার্যনির্বাহী প্রোক্টরের দাবি, অনুমোদন ছাড়াই ক্যান্টিন চালাচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি।
[ রাম মন্দির নির্মাণে অযোধ্যায় ইট নিয়ে হাজির মুসলিম করসেবকরা ]
পুরো ঘটনার তদন্তে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে আবার হাওয়া বদল!’ রুদ্রনীলকে পাশে নিয়ে আর কী বললেন পরমব্রত?
-
‘মাওবাদী মুক্ত’ ছত্তিশগড়ে পুরভোটে এগিয়ে বিজেপি, সমান টক্কর দিয়ে প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত কংগ্রেসেরও
-
মাদ্রাসার আড়ালে বেআইনি কার্যকলাপ নয় তো? খুঁটিনাটি জানতে চেয়ে জেলাশাসকদের ‘ডেডলাইন’ নবান্নের
-
স্বপ্নের উড়ানে ‘আরোহণ ২০২৬’, মেধাকে স্বীকৃতি জানাল ডিসান হসপিটাল
-
সরকারি বালতিও চুরি! শ্রীরামপুরে গ্রেপ্তার ২ তৃণমূল নেতা