Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Dhaka

কবর নাকি দাহ? টানাপড়েনে মর্গেই পড়ে ঢাকার অগ্নিকাণ্ডে মৃত সাংবাদিকের দেহ

বৃহস্পতিবার ঢাকার বেইলী রোডের মৃত্যু হয় সাংবাদিক অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৪, ১৭:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২, ২০২৪, ১৭:১৩

options
link
কবর নাকি দাহ? টানাপড়েনে মর্গেই পড়ে ঢাকার অগ্নিকাণ্ডে মৃত সাংবাদিকের দেহ zoom
ঢাকার অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে সাংবাদিক অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর।
Advertisement

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ঢাকার অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে সাংবাদিক অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর। কিন্তু এবার তাঁর শেষকৃত্য নিয়ে শুরু হয়েছে টানাপড়েন। মেয়ের দেহ কবর দিতে চান অভিশ্রুতির বাবা। কিন্তু সনাতন ধর্মাবলম্বীরা চান দেহ দাহ করতে। এই জটিলতার কারণে এখনও ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের মর্গে পড়ে আছে অভিশ্রুতির দেহ। জটিলতা তৈরি হয়েছে দেহ হস্তান্তর নিয়েও। 

বৃহস্পতিবার ঢাকার বেইলী রোডের রেস্তরাঁর অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ৪৬ জন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন তরুণ সাংবাদিক অভিশ্রুতি। তাঁকে সন্তান দাবি করেছেন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা কুষ্টিয়ার সবুজ শেখ। তিনি ইসলামি বিধান মেনে অভিশ্রুতির মরদেহ কবর দিতে চান। তবে এই দাবি নাকচ করেছেন পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা। তাঁরা বলছেন, মরদেহ কবর নয়, আগুনে পুড়িয়ে দাহ করা হবে সনাতন রীতিতে। ভারতের বেনারস থেকে অভিশ্রুতির ‘ঘটনাচক্রে’বাংলাদেশে আসার কথা জানিয়েছেন ঢাকার রমনা কালীমন্দির কমিটির সভাপতি উৎপল সাহা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ঢাকার অগ্নিকাণ্ডে মৃত বেড়ে ৪৬, হতদের তালিকায় ২ সাংবাদিকও]

তিনি বলেন, “আমাদের মন্দিরে এসে অভিশ্রুতি পূজা করতেন। সেখান থেকেই তাঁর সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়। সেই সূত্রেই আমরা জানতে পেরেছি, তাঁর পরিবার বারাণসীতে ছিল। সেখানকার একটি মন্দিরে সেবায়েত তাঁর বাবা ও মা সেবায়ত ছিল। কোনও একটা ঘটনাচক্রে তিনি বাংলাদেশের কুষ্টিয়াতে এসেছিলেন এবং এখানে একটি মুসলিম পরিবারে থেকে পড়াশোনা করছিলেন।” অভিশ্রুতির এক বন্ধু মাহফুজুর রহমান একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘ধর্মপরিচয় নিয়ে প্রশ্নের সমাধানে প্রয়োজনীয় তথ্য রয়েছে আমার কাছে। ও যাঁদেরকে বাবা-মা হিসাবে পরিচয় দিত, তাঁরা মুসলিম হলেও ও নিজে সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী ছিল। কারণ অভিশ্রুতির মতে কুষ্টিয়ার সবুজ শেখ ও তার স্ত্রী মূলত তাঁর পালক পিতামাতা। ওকে ভারতের কোনও একটা হিন্দু পরিবার থেকে দত্তক নেওয়া হয়েছিল।’ 

অভিশ্রুতির মতোই ঢাকার অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন তুষার হালদার নামে আরেক সাংবাদিক। জানা গিয়েছে, তুষার ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক শেষ করে একটি নিউজ পোর্টালে যোগ দিয়েছিলেন। সম্প্রতি তিনি অনলাইন মাল্টিমিডিয়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হন। এদিকে, অভিশ্রুতি ইডেন কলেজের দর্শন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। ঢাকার থাকতেন মৌচাকের সিদ্বেশ্বরী কালী মন্দির এলাকায়। অভিশ্রুতি গত জানুয়ারি মাসে যোগ দেন ওই একই পোর্টালে। চলতি মাসেই নতুন একটি কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। তুষারের নতুন জায়গায় চাকরি উপলক্ষে দুজনে বৃহস্পতিবার ঢাকার বেইলি রোডের রেস্তরাঁটিতে খেতে গিয়েছিলেন।

[আরও পড়ুন: ‘এখানে বসেই কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়েছিলাম, আজ সব ছাই’! ঢাকার আগুনে আক্ষেপ কলকাতার মেয়ের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.