Advertisement
Advertisement
Cyclone Remal

আছড়ে পড়ার আগেই দাপট শুরু রেমালের! ৫ ফুট জলের নিচে বাংলাদেশের সুন্দরবন

বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন পায়রা নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট জল বৃদ্ধি পেয়েছে। জলের তোড়ে এই উপজেলার ২৭ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

Cyclone Remal: Effect in Sunderban area in Bangladesh before its landfall
Published by: Sucheta Sengupta
  • Posted:May 26, 2024 8:58 pm
  • Updated:May 26, 2024 9:00 pm

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব ইতিমধ্যেই টের পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। সে দেশের সুন্দরবন (Sunderban) অংশের নদী, খালে জল বেড়েছে কমপক্ষে ৫ ফুট। ডুবে গিয়েছে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও ইকোটুরিজম কেন্দ্র। সুন্দরবন সংলগ্ন বাগেরহাটের মোংলায় রবিবার সকালে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা ডুবে গিয়েছে। কয়েকজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। মাঝিরা জানাচ্ছেন, ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় দ্রুত বাড়ি ফেরার জন্য অতিরিক্ত যাত্রী উঠেছিল নৌকাটিতে। এই দুর্ঘটনার পর মোংলা নদীতে নৌকা চলাচল বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

আমতলির বালিয়াতলি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে গেছে। এই উপজেলার ২৭ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

রবিবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমান বলেন, ‘‘আশঙ্কার তুলনায় আগেভাগেই ঘূর্ণিঝড় রেমালের  (Cyclone Remal) অগ্রভাগের প্রভাবে পটুয়াখালী জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। বাতাসের তোড়ে এসব এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে উপকূলীয় এলাকার ৮ লক্ষের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।’’ এদিন বঙ্গোপসাগর (Bay of Bengal) সংলগ্ন পায়রা নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট জল বৃদ্ধি পেয়েছে। জলের তোড়ে আমতলির বালিয়াতলি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে গেছে। এই উপজেলার ২৭ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। দুই উপজেলার ২৫৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে উপজেলা নির্বাহী অফিস।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘কোমর বেঁধে ঝগড়া করতে হবে’, মিমির প্রশংসা করেও সায়নীকে বললেন মমতা]

 

Advertisement

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের অগ্রভাগ বাংলাদেশের (Bangladesh) উপকূলীয় এলাকায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রবিবার আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, দেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাবে বৃষ্টিসহ দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বইছে। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে মোংলার নিকট দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিমবঙ্গ) খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করতে পারে। প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র অতিক্রমের পর এর নিম্নভাগ অতিক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও জানান, প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ