Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Sheikh Hasina

হাসিনার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িও?

রজসাক্ষী হয়ে মৃত্যুদণ্ড এড়ালেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২৫, ১৫:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২৫, ১৫:০৩

options
link
হাসিনার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ, গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িও? zoom

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা-সহ তিন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের। মোট পাঁচটি অভিযোগ ছিল তাঁদের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে তিনটিতে দোষী সাব্যস্ত তিনজন। ফাঁসির সাজা হাসিনা এবং আসাদুজ্জামানকে। কারাদণ্ড পেলেন মামুন। 

বেলা ২:৫০ শেখ হাসিনার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ৩২ ধানমন্ডির বাড়িটিও কি সুরক্ষিত থাকবে? রায়দানের আগে থেকেই বুলডোজার নিয়ে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ইউনুস সরকার কি আদৌ এই ঐতিহ্যবাহী বাড়ি রক্ষার চেষ্টা করবে? 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বেলা ২:২০ আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালে তিনটি ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত। বাংলাদেশের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও ফাঁসির সাজা দিয়েছে ট্রাইবুনাল। দুজনের যাবতীয় সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হবে। অন্যদিকে রাজসাক্ষী মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উসকানি দেওয়া, হত্যার নির্দেশ দেওয়া এবং বিক্ষোভকারীদের উপর অত্যাচারের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত মুজিবকন্যা। 

বেলা ২:১৫ রাজসাক্ষী হয়ে ফাঁসির শাস্তি এড়ালেন হাসিনার একদা বিশ্বাসভাজন, প্রাক্তন পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লা আল-মামুন। ২০১০ সালে তৈরি হওয়া এই ট্রাইবুনালের ইতিহাসে মামুনই প্রথম রাজসাক্ষী। তাঁর গোপন বয়ানের মাধ্যমে তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে বলে জানান বিচারক। 

বেলা ২ আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের আইনে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন শেখ হাসিনা, প্রাক্তন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং প্রাক্তন পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লা আল-মামুন। তাঁদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হবে কিনা, সেই নিয়ে চলছে জোর সওয়াল। রায়দান চলাকালীনই ধানমন্ডিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আওয়ামি লিগের কর্মী-সমর্থকরা।  

বেলা ১:৪৫ রায়ের শেষ অংশ পড়ছেন বিচারপতি। তিনি জানালেন, হাসিনার বিরুদ্ধে যে ফোনকলের রেকর্ড রয়েছে তা এআই দ্বারা নির্মিত নয়। ট্রাইবুনাল জানিয়েছে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পুলিশ প্রধান একত্রিত হয়ে ছাত্রদের আন্দোলন দমন করেছেন। হাসিনা নিজেই মারণাস্ত্র প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাই হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত।  মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী মুজিবকন্যা। 

বেলা ১:৩০ ছাত্রহত্যার ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসাবে হাসিনাকে চিহ্নিত করলেন বিচারপতি। রায়দানের সময়ে তিনি জানালেন, আশুলিয়া এবং চাঁখারপুলে ছাত্রদের হত্যার নেপথ্যে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা রয়েছে। এমনকি তাঁর নির্দেশে পুলিশ মৃতদেহ পুড়িয়েও দিয়েছে। বিচারপতি জানান, হাসিনার সর্বোচ্চ সাজার দাবি করা হয়েছে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে। 

বেলা ১:১৫ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ হত্যা কাণ্ডে শেখ হাসিনা-সহ তিনজনের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ছিল। সেই আবু সাঈদের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বারবার বদলাতে বাধ্য করা হয়েছিল চিকিৎসককে, রায়দান প্রক্রিয়ায় সেকথা বললেন বিচারপতি। ময়না তদন্তের রিপোর্ট নিয়ে চিকিৎসককে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও জানাল আদালত। 

বেলা ১ কুর্সি ধরে রাখত নিজের ক্ষমতাকে ব্যবহার করেছেন হাসিনা। জুলাই গণ অভ্যুত্থান নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্ট পড়েছেন বিচারপতি। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, আসলে ক্ষমতা ধরে রাখার জন্যই প্রতিবাদীদের উপরে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাসিনা। বিচারপতি আরও বলেন,  অপরাধ করেও ক্ষমা চাননি হাসিনা, বরং তিনি ভয় দেখিয়ে গিয়েছেন ট্রাইবুনালের সদস্যদের। 

বেলা ১২:৪৫ হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাসিনা স্বয়ং। রায় পাঠ করতে গিয়ে একথা বললেন বিচারপতি। তিনি বলেন, বিক্ষোভ দমন করতে আগ্নেয়াস্ত্র এবং হেলিকপ্টারের মতো মারণাস্ত্র মোতায়েন করেছিল তৎকালীন সরকার। দক্ষিণ ঢাকা কর্পোরেশনের প্রধানের সঙ্গে হাসিনার কথোপকথন তুলে ধরে বিচারপতি বলেন, প্রতিবাদীদের উপর অস্ত্র প্রয়োগ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাসিনাই। 

বেলা ১২:৩০ হিংসায় উসকানি দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী পদে থেকেও অপরাধ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। মামলার রায় দিতে গিয়ে এই কথা বললেন আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের বিচারপতি। তিনি আরও বলেন, আন্দোলনকারীদের যেভাবে ‘রাজাকার’ বলে দাগিয়ে দিয়েছিলেন হাসিনা, সেটাই হিংসায় উসকানি জুগিয়েছে।  

বেলা ১২:১৫ হাসিনার রায়দান ঘিরে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। সতর্কতা রয়েছে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতেও। হাসিনার আওয়ামী লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলে সেই দলের নেতা ও কর্মীরা বিপুল পরিমাণে ভারতে প্রবেশ করতে পারেন। সোমবার সকাল থেকেই বসিরহাটের স্বরূপনগর, হাসনাবাদ, হিঙ্গলগঞ্জ, বাদুড়িয়া, হেমনগর ও বসিরহাট-সহ সীমান্তবর্তী থানা এলাকাগুলিতে জোর কদমে চলছে নাকা চেকিংয়ের প্রক্রিয়া। 

বেলা ১২ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুরু হল রায়দান প্রক্রিয়া। ৪৫৩ পাতার রায়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ পড়া শুরু করলেন বিচারপতি। রায়দানের সরাসরি সম্প্রচার দেখতে উপচে পড়া ভিড় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। উল্লেখ্য, এদিন ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন না শেখ হাসিনা। 

ধানমন্ডির পথে বিক্ষোভকারীরা। নিজস্ব চিত্র।

বেলা ১১:৪৫ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ সাজার দাবিতে পথে নেমে মশাল মিছিল করেছে বাংলাদেশের একাধিক গোষ্ঠী। পরপর বিস্ফোরণ হয়েছে ঢাকায়। দেখামাত্র গুলি চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। অন্যদিকে, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভাঙতে যাওয়া বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। দুটি এক্সকাভেটর নিয়ে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির দিকে রওনা দিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা।

বেলা ১১:৩০ বাংলাদেশের প্রাক্তন পুলিশকর্তা আল-মামুন, তিন অভিযুক্তের মধ্যে অন্যতম। তিনি অবশ্য এই মামলায় রাজসাক্ষী হয়েছেন। রায়দানের আগে তিনি পৌঁছলেন আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল চত্বরে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.