সুকুমার সরকার, ঢাকা: কতটা বসবাসযোগ্য বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা (Dhaka)? আন্তর্জাতিক সমীক্ষার রিপোর্ট কিন্তু একেবারেই সুখবর শোনাচ্ছে না। দ্য গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স-২০২৩ থেকে জানা গিয়েছে, ১৭৩ টি দেশের মধ্যে ঢাকার স্থান ১৬৬ নম্বরে, অর্থাৎ শেষ দিক থেকে সপ্তমে। উল্লেখ্য আগের বছরও এমনই অবস্থান ছিল ঢাকার। এক বছরে এতটুকুও উন্নতি হয়নি, তা বোঝা গেল। আর বিশ্বের বসবাসযোগ্য স্থানের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা (Viena)।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়েছে দ্য গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স-২০২৩ এর ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। এই নিয়ম অনুযায়ী, বসবাসযোগ্য শহরের মাপকাঠি হল পাঁচটি ক্যাটাগরি বা বিভাগ। স্থায়িত্ব, স্বাস্থ্য পরিচর্যা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো – এই পাঁচটি। সমস্ত বিবেচনা করে দেখা যাচ্ছে ১৭৩ টি দেশের মধ্যে ঢাকার স্থান ১৬৬তে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালেও ঢাকার অবস্থান একই ছিল। ঢাকার বিপুল জনবসতি, দূষণ ও ঘিঞ্জি পরিবেশের কারণে ক্রমশ বসবাসের স্থান হিসেবে পিছনের সারিতে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশের (Bangladesh) শহর।
[আরও পড়ুন: মণিপুর নিয়ে সরব, বাংলার ভোট হিংসা নিয়ে কেন নীরব রাহুল-খাড়গেরা? এবার প্রশ্ন বিজেপির]
ইআইইউর (EIEU) সূচক অনুযায়ী, এবছর বাসযোগ্য শহরের তালিকার শীর্ষে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা। এরপর আছে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন; অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ও সিডনি; কানাডার ভ্যাঙ্কুভার; সুইজারল্যান্ডের জুরিখ; কানাডার ক্যালগেরি; সুইজারল্যান্ডের জেনিভা; কানাডার টরেন্টো। আর যৌথভাবে ১০ নম্বরে রয়েছে জাপানের ওসাকা ও নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড।
[আরও পড়ুন: এবার সংখ্যালঘুদের ‘মোদি মিত্র’ বানানোর উদ্যোগ বিজেপির! উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু নয়া অভিযান]
তালিকার শেষের দিকে অর্থাৎ ঢাকার সামান্য উপরে রয়েছে সিরিয়ার দামাস্কাস, লিবিয়ার ত্রিপোলি, আলজেরিয়ার আলজিয়ার্স, নাইজেরিয়ার লাগোস, পাকিস্তানের করাচি, পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোর্সবি, জিম্বাবোয়ের হারারে, ইউক্রেনের কিয়েভ ও ক্যামেরুনের দৌয়ালা। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, কোভিড পরবর্তী সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত বাসযোগ্যতা নিয়ে সমীক্ষা করা হয়েছে। কিয়েভ বাদ দিয়ে বিশ্বের ১৭২টি নগরীর গড় স্কোর এখন ৭৬.২। গত বছর এই স্কোর ছিল ৭৩.২। গত ১৫ বছরের মধ্যে এই স্কোর সবচেয়ে বেশি ছিল। সবক’টি ক্যাটাগরির মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে অপেক্ষাকৃত বেশি উন্নতি করেছে। আর শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ এবং অবকাঠামোয় সামান্য উন্নতি আছে। তবে স্থায়িত্বের দিকটির অবনতি হয়েছে। দুর্নীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের অসন্তোষের কারণেই এটা হয়েছে বলে উল্লেখ রিপোর্টে।
সর্বশেষ খবর
-
রাত ১২ অবধি ভাইয়ের সঙ্গে আড্ডা, সকালে উদ্ধার দেহ! আশিসের পরিণতিতে স্তম্ভিত আত্মীয়-পরিজনেরা
-
এবার জারদারির মুখে ‘অখণ্ড ভারত’, স্বাধীনতা দিবসে হিন্দুদের নিয়ে বড় বার্তা পাক প্রেসিডেন্টের
-
ফের টাকার পাহাড়-উদ্ধার ৮০০ গ্রাম সোনা! গ্রেপ্তার অনুব্রতের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল
-
ভারী খাবারে পেট ফেঁপে যায়? ‘ডায়জেস্টিভ টি’-তে মিলবে সমাধান, জানাচ্ছেন সোহা আলি খান
-
বাংলাদেশ ক্রিকেটে ইতিহাস, অস্ট্রেলিয়াকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই টেস্ট হারালেন টাইগাররা