Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bangladesh

‘দেখুন কত রঙিন…’, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জামাত প্রধানের সরস মন্তব্য ভাইরাল

সামনেই বাংলাদেশে ভোট। ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে? সাংবাদিকের এই প্রশ্নে কৌশলী জবাব দিলেন ড. শফিকুর রহমান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১২:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১২:৩৬

options
link
‘দেখুন কত রঙিন…’, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জামাত প্রধানের সরস মন্তব্য ভাইরাল zoom
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জামাত প্রধানের মন্তব্য ভাইরাল।

পাকিস্তান ‘প্রীতি’তে কাজের কাজ হবে না, ভারত বিরোধিতাও আখেরে ক্ষতিই করবে, এই সারসত্য বোধহয় হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে বাংলাদেশের কট্টর ইসলামপন্থী দল জামাত-ই-ইসলামি। তাই বোধহয় দেশে সাধারণ নির্বাচনের আগে নিজেদের ভাবমূর্তি বদলে ভারতকে সমীহ করতে শুরু করেছে তারা। সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জামাত প্রধান ড. শফিকুর রহমানের জবাব রীতিমতো ভাইরাল সোশাল মিডিয়ায়। জামাত প্রধানের জবাব ছিল, ‘‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে বিষয়টি কত রঙিন হয় দেখুন না…।” এরপরই হাসির রোল ওঠে, তার মাঝেই বেরিয়ে যান শফিকুর রহমান। কিন্তু তিনি ঠিক কী বলতে চাইলেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জামাত প্রধান ড. শফিকুর রহমানের জবাব রীতিমতো ভাইরাল সোশাল মিডিয়ায়। জামাত প্রধানের জবাব ছিল, ‘‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে বিষয়টি কত রঙিন হয় দেখুন না…।”

হাসিনা জমানা পতনের পর বহু বদলের সাক্ষী বাংলাদেশ। ফের সেখানে কট্টর ইসলামপন্থীদের উত্থান, সংখ্যালঘু নির্যাতন, হিন্দু বিদ্বেষ নতুন করে দানা বেঁধেছে। এসবের নেপথ্যে সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয়েছে জামাত-ই-ইসলামিকে। হাসিনার আমলে উগ্রতা, হিংসা ছড়ানোর মতো একাধিক কুকাজে দুষ্ট দলটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর ফের স্বমহিমায় ফিরেছে জামাত। হাসিনা এই মুহূর্তে নয়াদিল্লির ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছে। ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁকে ঢাকার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানালেও নয়াদিল্লি এ বিষয় একেবারে নীরব। আর এই ইস্যুতে জামাতও ভারতের কড়া সমালোচনাই করেছে।

Advertisement

তবে নির্বাচনের মুখে বেশ সাবধানী তারা। বরাবর ভারত বিদ্বেষী ইমেজ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে। এমনকী ভোট টানতে হিন্দুদের প্রতিও সহমর্মিতা দেখাচ্ছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই সাধারণ নির্বাচনেই জামাতের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন কৃষ্ণ নন্দী নামে এক হিন্দু। এবার ভারত-সহ প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতিতে আগ্রহ দেখাতে চাইছে জামাত শিবির। নির্বাচনী ইস্তেহারে তারা স্পষ্টতই জানিয়েছে, ভারত, ভুটান, নেপাল, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বচ্ছতার সম্পর্কে আগ্রহী।

আগামী ১২ তারিখ বাংলাদেশে নির্বাচন। হাসিনা নেই, আওয়ামি লিগ নিষিদ্ধ, ভোটে অংশ নিতে পারবে না। এই পরিস্থিতিতে জামাতের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী খালেদা জিয়ার বিএনপি। তারা আবার জামাতের মতো কট্টরপন্থী নয়। ফলে তাদের দিকে জনসমর্থনের পাল্লা ভারী হওয়া স্বাভাবিক। নির্বাচনী দাঁড়িপাল্লায় এসব হিসেবনিকেশ করেই কি ভারত নিয়ে কিছুটা নরমপন্থার আশ্রয় নিচ্ছে জামাত? ‘রঙিন’ শব্দের মাধ্যমে সেটাই কি বোঝাতে চাইলেন শফিকুর রহমান? নাকি তাঁর ইঙ্গিত সম্পূর্ণ উলটোদিকে? এসব প্রশ্ন নিয়ে চর্চা চলছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.