Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

মৌলবাদীদের হুঁশিয়ারি, কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের পাশে বাংলাদেশ

মৌলবাদীদের উপর ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে, জানাল র‌্যাব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২০, ০৯:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২০, ০৯:৪২

options
link
মৌলবাদীদের হুঁশিয়ারি, কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের পাশে বাংলাদেশ zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ৩৭০ ধারা নিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে মৌলবাদীদের কড়া বার্তা দিল বাংলাদেশ। কাশ্মীর ইস্যু ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এই বিষয়ে দেশে অযথা উত্তেজনা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ।

[আরও পড়ুন: ৩৭০ ঝটকায় বেসামাল পাকিস্তান, দিল্লি-লাহোর বাস পরিষেবা বন্ধ করল ইসলামাবাদ]

Advertisement

শুক্রবার, রাজধানী ঢাকার কাওরায়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে ইদে নিরাপত্তা নিয়ে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন কর র‌্যাব। কাশ্মীর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ সাফ বলেন, ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমাদের কোনও মন্তব্য নেই। দেশে মৌলবাদীদের উপর ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চলছে। আশা করব ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে জল ঘোলার চেষ্টা কেউ করবে না। এরপরও যদি কেউ তা করে তবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

বাংলাদেশের শাসকদল আওয়ামি লিগের মহাসচিব ওবায়দুল কাদের আগেই জানিয়েছিলেন, কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ মামলা। তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করার প্রশ্নই নেই। রাজধানীর মিরপুরে সাংবাদিকদের তিনি সাফ বলেছিলেন, ‘কোনও দেশের নিজস্ব মামলায় কথা বলার অধিকার আমাদের নেই। তবে গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি আমরা।’

উল্লেখ্য, গত সোমবার সংবিধানের কাশ্মীর সংক্রান্ত বিতর্কিত ৩৭০ ধারা রদ করে মোদি সরকার। জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যটিকে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয়। তারপরই তুমুল প্রতিবাদ শুরু করে পাকিস্তান। যদিও কাশ্মীর নিয়ে ইসলমাবাদের পাশে দাঁড়ায়নি রাষ্ট্রসংঘ থেকে শুরু করে ইসলামিক দেশগুলি পর্যন্ত। পড়শি বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের কাছে মুখ ঝামটা খেয়ে এবার কার্যত দিশেহারা ইসলামাবাদ।  বিশ্লেষকদের মতে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে। তিস্তার তিক্ততা কাটিয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা, একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছে দুই দেশ। ফলে কিছুতেই বাংলাদেশের জমিতে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ চলতে দেবে না হাসিনার সরকার।        

[আরও পড়ুন: ‘স্বাধীনতা বিরোধী’, এবার নোবেলের সমালোচনায় সরব বাংলাদেশের দুই মন্ত্রী]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.