৭ শ্রাবণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কড়া শাস্তি ও এনকাউন্টারের পরেও কমছে না ধর্ষণের ঘটনা। বরং যতদিন যাচ্ছে আরও নৃশংস হয়ে উঠছে ধর্ষকরা। শিশু থেকে বৃদ্ধা, কেউই ছাড় পাচ্ছে না তাদের বিকৃত কামনার হাত থেকে। ফলে দিনের পর দিন ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলেছে বাংলাদেশে। এর জেরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই বিষয়ে সবাইকে সরব হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি এই বিষয়ে তাঁর সরকার কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বিদেশমন্ত্রী ডঃ এ কে আবদুল মোমেন।

[আরও পড়ুন- কিশোরদের মধ্যে বাড়ছে অপরাধের প্রবণতা, বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে গ্যাং]

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই ধরনের জঘন্য নোংরা কাজ যারা করে, তারা মানুষ নয়। ধর্ষণের ঘটনা রুখতে যা যা করার দরকার আমরা করছি। আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার হলে সরকার তাই করবে। এখন এই ধরনের ঘটনা রুখতে মহিলারা এগিয়ে আসছেন। তবে পুরুষদেরও এর বিরুদ্ধে সরব হতে হবে। দুর্ভাগ্য হচ্ছে, ধর্ষণের ঘটনা সবসময় সব দেশেই আছে। তবে এখন মেয়েরা সাহস করে কথা বলে। একটা সময় সামাজিক লজ্জার কারণে বলতে পারত না।”

[আরও পড়ুন- বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায় মেনে নিতে পারেনি, আত্মঘাতী শাকিব]

সম্প্রতি ঢাকার ওয়ারীতে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে সাত বছরের সায়মাকে। সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করে তিনি বলেন, “অপরাধীকে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করেছে। জেরার পর সে ধর্ষণের কথা স্বীকারও করেছে। এখনও এই ধরনের ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে আমি মনে করি দেশের সমস্ত পুরুষকে এই ধরনের ঘটনার প্রতিবাদে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ, ধর্ষণ তো তারাই করে। তাই পুরুষ সমাজেরও একটা আওয়াজ তোলা উচিত, কিছু করা উচিত। খালি মহিলারাই চিৎকার করে যাবে নাকি? নির্যাতিত হয়েও তারা চিৎকার করবে, আর পুরুষরা চুপ থাকবে? নির্যাতনকারীর স্বজাতি হিসেবে পুরুষদেরও এ ব্যাপারে সরব হওয়া উচিত।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং