Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bangladesh

ঢাকার রাসায়নিক কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, উদ্ধার ২ শিশু-সহ চারজনের দগ্ধ মৃতদেহ

কী কারণে আগুন লাগল, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন পুলিশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৩, ১১:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২৩, ১১:৪৩

options
link
ঢাকার রাসায়নিক কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, উদ্ধার ২ শিশু-সহ চারজনের দগ্ধ মৃতদেহ zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ফের অগ্নিকাণ্ড বাংলাদেশে (Bangladesh)। আদি ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর অপর তীরে কেরানিগঞ্জে একটি রাসায়নিকে কারখানার (Chemical plant) গুদামে আগুন লাগে মঙ্গলবার ভোররাতে। তাতে দুই শিশু-সহ এখনও পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। কেরানিগঞ্জ মডেল থানার অধীনস্থ কালিন্দী ইউনিয়নের গদাবাগ এলাকার ওই কারখানাটির মালিক হাজি আবুল হাসনাত। গ্লাস অ্যান্ড পলিমার কারখানা এটি। তারই গুদামে অগ্নিকাণ্ডে চারজনের পোড়াস দেহ উদ্ধার হল।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘুমিয়ে ছিলেন জেসমিন আখতার, তাঁর ১৬ বছরের কন্যা ঈশা, বাইশ বছরের মিনা ও তাঁর ২ বছরের শিশুসন্তান তাইয়েবা। আগুনে পুড়ে এদের সকলের মৃত্যু হয়েছে। জেসমিন সৌদিপ্রবাসী (Saudi Arab) মিলন মিঞার স্ত্রী। মিনার স্বামীর নাম সোহাগ মিঞা বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় পাশের বাড়ির বেশ কয়েকজন অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। তাঁদের রাজধানী ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইনস্টিটিউটে ভরতি করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আগামী বছর এখানেই আপনাদের সামনে আসব’, লালকেল্লার ভাষণে INDIA-কে বার্তা মোদির]

স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানায়, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই দমকল বিভাগকে খবর দিলে তাঁরা প্রায় এক ঘণ্টা পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই স্থানীয়ভাবে লোহার হাতুড়ি দিয়ে দেওয়াল ভেঙে বেশ কয়েকজন হতাহতকে উদ্ধার করে। দমকল বিভাগের উপ-সহকারী এজিএম মহম্মদ সামসুজ্জামান বলেন, ”অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে প্রথমে কেরানিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এবং এরপর সদরঘাট ও সদর দপ্তরের ছ’টি ইউনিট প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় ভোর ৬টা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।” আগুনের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বোঝা যায়নি।

[আরও পড়ুন: সীমান্তে সৈন্য সরাতে চিনকে চাপ, লালফৌজের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা ভারতীয় সেনার]

কেরানিগঞ্জ মডেল থানার ওসি মামুনুর রশিদ বলেন, ”কেমিক্যাল গোডাউনে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই।” খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কেরানিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সল বিন করিম ও জেলাশাসক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান। পরিদর্শন শেষে আনিসুর রহমান ৫ সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.