Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
খুন

আদালত কক্ষের মধ্যে বিচারাধীন বন্দিকে কুপিয়ে খুন, ধৃত নিহতের ভাই

আদালতের ভিতরে অভিযুক্ত কী করে ছুরি নিয়ে ঢুকল? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৯, ১৯:২৭

options
link
আদালত কক্ষের মধ্যে বিচারাধীন বন্দিকে কুপিয়ে খুন, ধৃত নিহতের ভাই zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: আদালত কক্ষের ভিতরে পিসতুতো দাদাকে কুপিয়ে খুন করল মামাতো ভাই। সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকা থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কুমিল্লায়। মৃতের নাম মহম্মদ ফারুক (২৮)। এই ঘটনায় তার মামাতো ভাই আবুল হাসান (২৫)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মৃত ও ধৃত দু’জনেই একটি খুনের মামলার আসামি ছিল।

[আরও পড়ুন- এরশাদ অবসানে বিলুপ্তির পথে জাতীয় পার্টি? অভিভাবকহীন দল নিয়ে বাড়ছে জল্পনা]

আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালের ২৬ আগস্ট একটি খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিল ফারুক ও আবুল। পরে তারা জামিন পেলেও কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা (তৃতীয়) আদালতের বিচারক ফতেমা ফিরদৌসের এজলাসে মামলা চলছিল। সোমবার সেই মামলার শুনানির হাজিরা দিতে আসে দু’জন। এই সময় ফারুক ও হাসানের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বচসার মাঝেই হাসান আদালত ভবনের তিন তলায় ছুরি নিয়ে ধাওয়া করে ফারুককে। নিজেকে বাঁচাতে আদালতের এজলাসে ঢুকে পড়ে ফারুক। কিন্তু, তারপরেও নিজেকে বাঁচাতে পারেনি। বেলা ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ তাকে ছুরি দিয়ে বারবার আঘাত করে হাসান। চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন উপস্থিত জনতাও। হাসানকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ফারুককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু হাসপাতালে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে কুমিল্লা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মামাতো ও পিসতুতো ভাইয়ের ব্যক্তিগত গন্ডগোলের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা খুনে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করেছি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

[আরও পড়ুন- ২ বছর আগেও জন্মভিটে দিনহাটায় ঘুরে গিয়েছেন এরশাদ, স্মৃতিভারাক্রান্ত পরিবার]

এই ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর বলেন, “আসামি কীভাবে আদালতে ছুরি নিয়ে ঢুকল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এত নিরাপত্তার পরেও এই ঘটনা ঘটায় সবাই হতবাক। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি খুনের কারণ জানা যাবে। দোষী অবশ্যই শাস্তি পাবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.